আমি বড় হয়ে গেছি, আর কোনোদিন নোংরা হবো না৷
মা, আমার পিঠ থেকে ধুলো ঝেড়ে দাও,
আমি পরিচ্ছনড়ব হতে চাই গাত্রচর্মে৷
তেত্রিশ বছরের ধুলোয় লুটানো দেহখানি আজ
তুলে এনেছি তোমার কাছে৷
তুমি এর গালে চুমু খাও, এর বাহুতে চিমটি কাটো,
উষ্কখুষ্ক চুলের ভিতরে দ্রত বেগে আঙুল চালাতে গিয়ে
যদি ব্যথা দাও, দাও: আমি কিচ্ছুটি বলবো না৷
খাঁটি সরিষার দু’ফোটা ঝাঁঝালো তেল দিতে পারো নাকে৷
বাড়ির পেছনের পুকুরের জল, তা যত ঠান্ডাই হোক,
তুমি যদি চাও আমি সে জলেই দেবো তিন ডুব৷
তারপর সড়বান শেষ হলে বসবো মাঘের রোকণুরে পিঠ রেখে,
আমি জানি তুমি খুব খুশি হবে তাতে৷
বহু পুণ্যবলে আজ এই নগড়ব উদাসীন কবি,
হারানো ছেলেকে ফিরে পাওয়া: এই সূর্য ডুবে গেলে পর,
আমি তোর ধুলোমাখা পায়ে চুমু খাবো, মা৷
Related Articles
মানুষের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই
না, মানুষের সঙ্গে আমার আর কোনো বিরোধ নেই এখন পাওনাদার দুর্ঘটনায় পড়লে তাকে নিয়ে যেতে পারি হাসপাতাল প্রাক্তন প্রেমিকার স্বামীর কাছ থেকে অনায়াসে চাইতে পারি চার্মিনার দাড়ি গজানোর মতো অনায়াসে এ-জীবনে আমি রামকৃষ্ণের কালীপ্রেমে আমি দেখি সার্বভৌম যৌনশক্তি বাবলিদের স্বামীপ্রেমে দেখি সার্বজনীন যৌনসুখ একটি চটি হারিয়ে গেলে আমি কি না, মানুষের সঙ্গে আমার বিরোধ নেই […]
আন্দোলন
ময়দান ভারি হয়ে নামে কুয়াশায় দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ঞচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই তোমার ছিন্ন শির, তিমির। নিহত ছেলের মা আকাশ ভরে যায় ভস্মে দেবতাদের অভিমান এইরকম আর আমাদের বুক থেকে চরাচরব্যাপী কালো হাওয়ার উত্থান এ ছাড়া আর কোনো শান্তি নেই কোনো অশান্তিও না।
রাশিয়ার চিঠি -৩
মস্কৌ বহুকাল গত হল তোমাদের উভয়কে পত্র লিখেছিলুম। তোমাদের সম্মিলিত নৈ:শব্দ থেকে অনুমান করি সেই যুগলপত্র কৈবল্য লাভ করেছে। এমনতরো মহতী বিনষ্টি ভারতীয় ডাকঘরে আজকাল মাঝে মাঝে ঘটছে বলে শঙ্কা করি। এই কারণেই আজকাল চিঠি লিখতে উৎসাহ বোধ করি নে। অন্তত তোমাদের দিক থেকে সাড়া না পেলে চুপ করে যাই। নি:শব্দ রাত্রির প্রহরগুলোকে দীর্ঘ বলে […]

