“ক্ষুধার্ত চাষীর ঘরে জন্ম নিলো আজ এক কবি”
-মোরগের উচ্চারণে ভোরের আজান;
“কে সে শিশু?”-“জানো না সে কেমন মানুষ?
কবি সে- তোমার কথা সর্বদাই বলবে জনে-জনে”
-ব’লে আড়মোড়া ভাঙে এক সুবেহ্ সাদেকের পাখি;
“তোমাদের কথা, ৰুধা ও ব্যাধির কথা রাষ্ট্র ক’রে
দেবে দেশে ও বিদেশে” -ব’লে হালের বলদ দু’টি
নিশ্চিনত্মে জাবর কাটে বিষণড়ব গোয়ালে৷
“স্বাগতম” -ব’লে ভোর সকালের কাক
ডালিমের ডালে এসে বসে৷ “তোমাদের অন্ধকার
দূর হবে, মহাজন-জোতদার গুনবে প্রমাদ
অচিরেই” -ব’লে এসে শালিক-চড়াই!
“মারী ও মড়কে দুঃখময় এই দেশগাঁয়ে জ’ন্মে
কবি তার পিতৃঋণ শোধ ক’রে দেবে,
অবশেষে জন্ম নিয়ে এসেছে সে তোমাদেরই ঘরে,
নাম রাখো এই নবজাতকের -‘জীবন’, ‘জীবন’৷
কেননা, সে একদিন তোমাদের হ’য়ে
গেয়ে যাবে জীবনেরই গান” -এই ব’লে
ছাতিম গাছের নিচে এসে বসে ভোরের দোয়েল ।।
Related Articles
ঐতিহাসিক
আজ এসেছি তোমাদের ঘরে ঘরে ইতিহাসের আদালতের পরোয়ানা নিয়ে তোমরা কি দেবে আমার প্রশ্নের কৈফিয়ৎঃ কেন মৃত্যুকীর্ণ শবে ভরলো পঞ্চাশ সাল? আজ বাহান্ন সালের সূচনায় কি তার উত্তর দেবে? জানি! স্তব্ধ হয়ে গেছে তোমাদের অগ্রগতির স্রোত, তাই দীর্ঘশ্বাসের ধোঁয়ায় কালো করছ ভবিষ্যৎ আর অনুশোচনার আগুনে ছাই হচ্ছে উৎসাহের কয়লা। কিন্তু ভেবে দেখেছ কি? দেরি হয়ে […]
ঊনসত্তরের ছড়া- ১
ট্রাক ! ট্রাক ! ট্রাক ! শুয়োরমুখো ট্রাক আসবে দুয়োর বেঁধে রাখ। কেন বাঁধবো দোর জানালা তুলবো কেন খিল ? আসাদ গেছে মিছিল নিয়ে ফিরবে সে মিছিল। ট্রাক ! ট্রাক ! ট্রাক ! ট্রাকের মুখে আগুন দিতে মতিয়ুরকে ডাক। কোথায় পাবো মতিয়ুরকে ঘুমিয়ে আছে সে ! তোরাই তবে সোনামানিক আগুন জ্বেলে দে।
পরানের গহীন ভিতর ৩১
কে করে পরশ তার জীবনের এত জটিলতা? তোমার অধিক টান দেয় বৃক্ষ দেয় বিষলতা; একবার আমারে আছাড় দিয়া সোজা করে ফের, আমারই মতন যারা বেশুমার সন্তান মায়ের। কিসে যে চালনা করে এই দেহ এই ভবিষ্যৎ- কিছুই বুঝি না, দেখি আচানক শেষ হয় পথ; যে পথেই মেলা দেই সেই পথে ভয়ানক ভুত- এ বড় কঠিন জাগা, […]

