কী দেখলে তুমি? রৌদ্রকঠিন
হাওয়ার অট্টহাসি
দু’হাতে ছড়িয়ে দিয়ে নিষ্ঠুর
গ্রীষ্মের প্রেত-সেনা
মাঠে-মাঠে বুঝি ফিরছে? ফিরুক,
তবু তার পাশাপাশি
কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জরী তুমি
একবারও দেখলে না?
একবারও তুমি দেখলে না, তার
বিশীর্ণ মরা ডালে
ছড়িয়ে গিয়েছে নম্র আগুন,
মৃত্যুর সব দেনা
তুচ্ছ সেখানে, নবযৌবনা
কৃষ্ণচূড়ার গালে
ক্ষমার শান্ত লজ্জা কি তুমি
একবারও দেখলে না?
Related Articles
অমিমাংসিত সন্ধি
৪. অমিমাংসিত সন্ধি তোমাকে শুধু তোমাকে চাই, পাবো? পাই বা না পাই এক জীবনে তোমার কাছেই যাবো। ইচ্ছে হলে দেখতে দিও, দেখো হাত বাড়িয়ে হাত চেয়েছি রাখতে দিও, রেখো অপূণতায় নষ্টে-কষ্টে গেলো এতোটা কাল, আজকে যদি মাতাল জোয়ার এলো এসো দু’জন প্লাবিত হই প্রেমে নিরাভরণ সখ্য হবে যুগল-স্নানে নেমে। থাকবো ব্যাকুল শর্তবিহীন নত পরস্পরের বুকের […]
অনিন্দিতার জন্যে আরো একটি
আমি হবো একটি প্রজাপতি, মাঠে মাঠে ঘুরব খানিক, ক্ষণিকের করব আরতি, সূর্যাস্তের করব বন্দনা। তারপর হারাব আনমনা। আমি হবো একটি মাছরাঙা, গাছে গাছে উড়ব খানিক, দেখব পুকুর আর ডাঙা আনন্দিত দুপুর-রোদ্দুরে। তারপর উড়ে যাব দূরে। কত প্রজাপতি, পাখি এলো। আমাদের ব্যাপ্ত পৃথিবীতে। কিছুক্ষণ থেকে-চলে গেল। কে তাদের, বলো, মনে রাখে? তোমরাও পাবে না আমাকে।।
অন্নবিচার
মহিলাদের পোশাক পালটাবার মাংসল গন্ধে বুঁদ যে-ঘরটায় এক ডিভোরসি বোলতাবধু ডিম পার্ক করেছেন শহুরে পাখিদের ছ্যাঁচড়া জঞ্জালের ভজকট ভাষা ডানায় বয়ে ভেতরে ঢুকে ঝোড়ো ঝড় নিজে হাতে দরোজা বন্ধ করে দিয়ে দ্যাখে জোরকদমে চর্চা চলছে দিলদরিয়া ভালোবাসার ঘিজতাঘিজাং যদিও ফাটলপ্রিয় ছারপোকারা নিজেদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল যে-যার নিজের মতন ভালো বা খারাপ হবার স্বাধীনতার দরুন ছাদ-উঁচু […]

