কী দেখলে তুমি? রৌদ্রকঠিন
হাওয়ার অট্টহাসি
দু’হাতে ছড়িয়ে দিয়ে নিষ্ঠুর
গ্রীষ্মের প্রেত-সেনা
মাঠে-মাঠে বুঝি ফিরছে? ফিরুক,
তবু তার পাশাপাশি
কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জরী তুমি
একবারও দেখলে না?
একবারও তুমি দেখলে না, তার
বিশীর্ণ মরা ডালে
ছড়িয়ে গিয়েছে নম্র আগুন,
মৃত্যুর সব দেনা
তুচ্ছ সেখানে, নবযৌবনা
কৃষ্ণচূড়ার গালে
ক্ষমার শান্ত লজ্জা কি তুমি
একবারও দেখলে না?
Related Articles
এসো দুখজাগানিয়া
রাত্রির গভীরে সুড়ঙ্গ কেটে খুঁজি তোমাকে। খরস্রোতা সময় নদীর উচ্ছ্বাসে ভেসে যাও তুমি; তোমার নখ, চুলের ডগা, নোনা ঠোঁট উড়ে যায়, ভেসে যায় দাম্ভিক মেঘের সাথে। কিনারায় পাথরের টুলে বসে আমি মরু পর্বতের মতো শুষ্ক শীতল। রাত্রি যত নিকষ হয় জ্যোৎস্না মাহুতের কুশ নেমে আসে বুকে। এখন তোমাকে খুব দরকার। একটু নেমে আসবে বৃষ্টি ব্যান্ডেজ […]
ফরিয়াদ
এই ধরণীর ধূলি-মাখা তব অসহায় সন্তান মাগে প্রতিকার, উত্তর দাও, আদি-পিতা ভগবান!- আমার আঁখির দুখ-দীপ নিয়া বেড়াই তোমার সৃষ্টি ব্যাপিয়া, যতটুকু হেরি বিস্ময়ে মরি, ভ’রে ওঠে সারা প্রাণ! এত ভালো তুমি? এত ভালোবাসা? এত তুমি মহীয়ান্? ভগবান! ভগবান! তোমার সৃষ্টি কত সুন্দর, কত সে মহৎ, পিতা! সৃষ্টি-শিয়রে ব’সে কাঁদ তবু জননীর মতো ভীতা! নাহি সোয়াসি-, […]
মধুপুরে
মনটা ভীষণ উড়ূ উড়ূ, আমি যেন উড়ো পাতা, ঝাউবনের কান্না শুনি বুকের মধ্যে সারা দুপুর_ উড়তে উড়তে কোথায় যাবো, ঠিকানা ঠিক কোথায় পাবো নাকি শেষে হারিয়ে যাবো, এই আমি উড়ো পাতা, উড়ো পাতা! মনটা ভীষণ উড়ূ উড়ূ টেবিলে বই, লেখার কাগজ, ঝড় বয়ে যায় মনের ভেতর; সব উড়ে যায় আমিও যাই। মনটা ভীষণ উড়ূ উড়ূ […]

