নিশির ডাক শুনে
মাঝরাত্তিরে যারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল,
এখন আবার
খুব শান্ত আর খুব সুন্দর এই সকালবেলায়
একে-একে সেই ছেলেগুলো যে যার
ঘরে ফিরে আসছে।
ওদের ছেঁড়া জামাকাপড়, ওদের
রক্তাক্ত হাত-পা, আর সেইসঙ্গে ওদের
ভাষাহীন চাউনি দেখেই
বোঝা যায় যে, যা পাবে বলে ওরা
রাস্তায় গিয়ে নেমেছিল,
তা ওরা পায়নি।
মাথা নিচু করে ওরা এখন ফিরে আসছে।
অথচ, রাত্তিরের অন্ধকারে
অনেক-অনেক কাঁটাঝোপ ওরা পেরিয়ে গিয়েছিল
অনেক-অনেক পথ।
১০ ভাদ্র, ১৩৯৮
Related Articles
আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে
আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে আছো তুমি হৃদয় জুড়ে। ঢেকে রাখে যেমন কুসুম, পাপড়ির আবডালে ফসলের ঘুম তেমনি তোমার নিবিড় চলা মরমের মূল পথ ধরে। পুষে রাখে যেমন ঝিনুক, খোলসের আবরনে মুক্তোর সুখ তেমনি তোমার গভীর ছোঁয়া ভিতরের নীল বন্দরে। ভালো আছি, ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো দিও তোমার মালাখানি, বাউলের এই মনটা রে। […]
ভালো আছো, গরিব মানুষ
অমর্ত্য সেনের ছবি ক্যালেন্ডারে, গরিব মানুষ, এবার তোমার হিল্লে হয়ে গেল। গরিব মানুষ, তোমার কি খিদে পায়, কত ক্যালরির খিদে পায়, খিদে পেলে তোমার কি খুব কষ্ট হয়? তোমার কি ছেলেমেয়ে আছে, তারা কি ইস্কুলে যায়? তারা কি ওষুধ পায় অসুখে-বিসুখে? তাদের জননী কি তোমার সমান ভাত খায়, সমান ক্যালরির? অমর্ত্য সেনের ছবি ক্যালেন্ডারে, গরিব […]
আথেন্স থেকে কায়রো
বিমানের মধ্যে টাই খুলে ফেলে, সিট্ বেল্ট বরিয়ে উঠে দাঁড়ালুম চিৎকার করে বললুম কে কোথায় আছো? পেঁজা তুলোর মতন তুলতুলে মুখ দু’জন হাওয়া-সখী ছুটে এলো- তখন মাথার ওপর ও নিচে ভূমধ্য আকাশ এবং রূপালি সাগর মাঝখানে নীল মেঘ ও ফড়িং পিছনে সন্ধেবেলার ইওরোপ জ্বলছে দাউ দাউ আগুনে সামনে প্রাচ্যদেশ জুড়ে অন্ধকার আমি কর্কশভাবে বললুম, কোথায় […]

