নিশির ডাক শুনে
মাঝরাত্তিরে যারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল,
এখন আবার
খুব শান্ত আর খুব সুন্দর এই সকালবেলায়
একে-একে সেই ছেলেগুলো যে যার
ঘরে ফিরে আসছে।
ওদের ছেঁড়া জামাকাপড়, ওদের
রক্তাক্ত হাত-পা, আর সেইসঙ্গে ওদের
ভাষাহীন চাউনি দেখেই
বোঝা যায় যে, যা পাবে বলে ওরা
রাস্তায় গিয়ে নেমেছিল,
তা ওরা পায়নি।
মাথা নিচু করে ওরা এখন ফিরে আসছে।
অথচ, রাত্তিরের অন্ধকারে
অনেক-অনেক কাঁটাঝোপ ওরা পেরিয়ে গিয়েছিল
অনেক-অনেক পথ।
১০ ভাদ্র, ১৩৯৮
Related Articles
সেই সুখ
প্রতি মুহূর্তে বদলায় জীবন পৃথিবী অনুভব করে বিচিত্র অভিজ্ঞতা পাখিরাও এ ডালে ও ডালে ঘুরে ঘুরে দেখে কখনও আটকে যায় মাঝ মাঠে শিকারি সঠিকভাবে চলতে বাধা পায় বদলে যায় তার স্নায়ু হাতের আঙ্গুল নিশানা মস্তিষ্কের হোঁচটও খায় কখনও। কিন্তু কি আশ্চর্য একমুহূর্ত এলো এখানে আমার জীবনে যা লিখা হয়ে গেল নিদ্বর্িধায় হৃদয়ের খাতায় রচিত হলো […]
আমার ডুগডুগি
আমি মমতা থেকে তুলে এনেছিলাম পরিহাস আমি বিষাদ থেকে তুলে এনেছিলাম অশ্রু আমি ঘুম থেকে তুলে এনেছিলাম স্বপ্ন আমি স্মৃতি থেকে তুলে এনেছিলাম অভিমান আমি শব্দ থেকে তুলে এনেছিলাম কবিতা তুমি কোনোদিন কিছুই খেয়াল করোনি আমি বিষাদসিন্ধুর তীরে দাঁড়িয়ে ডুগডুগি বাজিয়েছিলাম তুমি সেই বাঁদরনাচের বাজনা শুনতে পাওনি। উত্তরের অনন্ত বাতাসে ঝরা পাতার মতো উড়ে উড়ে […]
নবীন কাঠুরের উক্তি
নিতান্ত নির্ভুলভাবে কোনো কাজ করতে পারিনি হাতের কুঠার ফেলে কাঠকাটা ভুলে বারবার দেখেছি বনের শোভা : বৃক্ষরাজি হরিৎ পত্রালি; পরিণামে অভুক্ত থেকেছি দীর্ঘ তিরিশ বছর। কাঠুরের ঘরে জন্ম, তবু, পারিনি কঠোর হতে; অবলীলাক্রমে বৃক্ষ কুঠারের আঘাতে-আঘাতে কেটে ফেলতে প্রাণে লাগে, পত্রপুষ্প শোভিত বনে ভুলক্রমে মিশে গেছি প্রাকৃতিক জীবন প্রবাহে।

