এটম বোমার থেকে দু’বছর বড় এই-আমি
ধ্বংস ও শান্তির মধ্যে মেরু-দূর প্রভেদ মানি না।
ক্ষীয়মাণ মূল্যবোধ, সভ্যতার সমূহ সংকটে
আমি কি উদ্বিগ্ন খুব?—উদ্বিগ্নতা আমাকে সাজে কি?
রাষ্ট্র, রাষ্ট্রনীতি, নেতা, নানাবিধ আইন-কানুন
নিয়ন্ত্রিত করে যাচ্ছে যথারীতি প্রকাশ্য জীবন
ভিতর-মহল জেঁকে বসে আছে লাল বর্ণমালা।
সদরে-অন্দরে—অনিবার্য সংঘর্ষের ফলে—গড়ে
সবুজ সংসার।—স্বভাবত সদর-বিমুখ আমি
ভিতর-সন্ধানী আলো ফেলি সান্ধ্য-শামুকের সুখে।
আমার জীবনে স্থায়ী কোনো সকাল-দুপুর নেই,
সারাক্ষণ ব্যেপে থাকে—অপরাহ্ণ—মনোধিমণ্ডলে।
সম্পূর্ণ বর্জন নয়, গ্রহণে-বর্জনে গড়ে নিই
মানুষের বসবাসযোগ্য চিরস্থায়ী ঘর-বাড়ি,
বহিরঙ্গে নাগরিক—অন্তরঙ্গে অতৃপ্ত কৃষক;
স্থান-কাল পরিপার্শ্বে নিজ হাতে চাষাবাদ করি
সামান্য আপন জমি, বর্গা-জমি চষি না কখনো।
বিস্তীর্ণ প্রেইরী নয়—আপনার সীমিত সবুজে
পরম নিশ্চিন্তে চরে নীল-গাই, যূথবদ্ধ মেষ,
নিরীহ হরিণগুচ্ছ, নৃত্যপর জেব্রা ও জিরাফ।
Related Articles
আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও
তোমার পায়ের নিচে আমিও অমর হব, আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও। এই নাও আমার যৌতুক, এক-বুক রক্তের প্রতিজ্ঞা। ধুয়েছি অস্থির আত্মা শ্রাবণের জলে, আমিও প্লাবন হব, শুধু চন্দনচর্চিত হাত একবার বোলাও কপালে। আমি জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে উড়াব গাণ্ডীব, তোমার পায়ের কাছে নামাব পাহাড়। আমিও অমর হব, আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও। পায়ের আঙুল হয়ে সারাক্ষণ লেগে আছি […]
আমি সেই অবহেলা
আমি সেই অবহেলা আমি সেই নতমুখ নিরবে ফিরে যাওয়া অভিমান ভেজা চোখ আমাকে গ্রহন কর উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া আমি সেই প্রত্যাখ্যান আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে নেয়া ঘোলাটে চাঁদ আমাকে আর কী বেদনা দেখাবে তপ্ত শীশার মতন পুড়ে পুড়ে একদিন পাথর হয়েছি শেষে হয়েছি জমাট শিলা তবু সেই পাথরের অন্তর থেকে কেঁদে ওঠে একরাশ […]
এবার তবে বিদায় দাও, যুদ্ধে যাব
যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব এত যুদ্ধের মাঝে ভালবাসার সময় তো নেই, যদি বেঁচে থাকি যুদ্ধ শেষে অনেক ভালবাসা হবে এবার তবে বিদায় দাও, যুদ্ধে যাব ।। জনস্রোতের ডাক এসেছে দাবি সব ঘুম ভেঙেছে, এত দাবির মাঝে তোমার দাবি বাক্সে থাকুক যুদ্ধ শেষে ভালবাসা হবে এবার তবে বিদায় দাও, যুদ্ধে যাব ।। ঘরের কোণায় মুখ লুকিয়ে কাঁদছ […]

