দুদিনেই সাঙ্গ হয়ে গেল সহস্র বছর, এতো স্বাদ এতো কথা
কাঁদছে মুহূর্তগুলি কাকে বলি একটু দাঁড়াও;
বৃথা এ প্রার্থনা, জীবন নিষ্ঠুর বড়ো অপেক্ষা জানে না
তবু তারই কাছে হাত পেতে আছি, তারই কাছে নত।
সব মোম ক্ষীণ হয়ে যেতে যেতে কাঁপে
শুধু শিখা
গুনে গুনে দেখি এই পুরনো পালক ঝরাপাতা
সমস্ত কথার ভার তুলে নিচ্ছি, আর দুঃখ নয়
পাথরের দীর্ঘ শ্বাসে ভারী হয়ে ছিলো, সারা বন
এবার তা হলে হোক ঝুম বর্ষা, চৈত্রে শ্রাবণ।
Related Articles
তোমার কাছে
তোমার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি আমি, যদিও অনেক দেরী হলো। তোমার মাথার সমস্ত চুল এখন সাদা ; আমিও আর শিশুটি নেই, তোমার পায়ের শুকনো পাতা চোখের জলে ধুয়ে দেবো! কী করে যে ক্ষমা চাইবো? তোমার মাথার সমস্ত চুঁল এখন সাদা ; এই কী ক্ষমা চাওয়ার সময়! অথচ দুরে ঘন্টা বাজছে আর দেরী নয়— যেতেই হবে। […]
সাপ্তাহান্তিক দিনরাত্রি
সারা রাত রবীন্দ্র সঙ্গীত সারা রাত অশ্রুভেজা চোখ সারা রাত অপার্থিব শীত, সারা রাত বিষন্ন আলোক! সারা দিন কর্মহীন; গ্লানি, সারা দিন ম্রিয়মাণ রোদ, সারা দিন হিরন্ময় ম্লানই- সারা দিন তিলক কামোদ! সারা রাত স্নিগ্ধ মোমবাতি সারা দিন স্মৃতিহীন তাঁতী।
কবিতা মুর্তিমতী
শুয়ে আছে বিছানায়, সামনে উম্মুক্ত নীল খাতা উপুড় শরীর সেই রমণীর, খাটের বাইরে পা দু’খানি পিঠে তার ভিজে চুল, এবং সমুদ্রে দু’টি ঢেউ ছায়াময় ঘরে যেন কিসের সুদন্ধ, – জানায় রৌদ্র যেন জলকণা, দূরে নীল নক্ষত্রের দেশ। কী লেখে সে, কবিতা? না কবিতা রচনা করে তাকে? সে বড় অসি’র, তার চোখে বড় বেশী অশ্রু আছে […]

