তোমার হাতের জল পেলে শুধু এই তৃষ্ণা যাবে
না হলে যাবার নয় এই তৃষ্ণা, এই গ্রীষ্মকাল।
তোমার হাতের জল ছাড়া ভিজবে না পোড়া জমি
এই পোড়ামাটির মানুষ; তোমার হাতের জল
পেলে তাই ফিরে পাবো এ জীবনে ফের সুসময়
সমস্ত অসুখ থেকে আবার উঠবো হয়ে ভলো।
তোমার হতের জল ছাড়া এই চারা কিসে বাঁচে,
কিসে পল্লবিত হয় বলো এই শষ্ক ডালপালা?
তোমার হাতের জল পেলে মেলে অপর্থিব সুখ
মুহূর্তেই হয়ে উঠি পরিপূর্ণ সবুজ, সতেজ।
এমন বর্ষণে তবু ভেজৈ নাই দেখো এই বুক
সমুদ্র সামান্য যেন তোমার হাতের জল ছাড়া;
তোমার হাতের জল একফোঁটা শুধু যদি পাই,
কাঁটার বিরুদ্ধে আমি অনায়াসে বুনে যাবো ফুল।
Related Articles
কবির সম্বল
কবি এই ত্রিভুবন রাজনীড়ে নেই শস্যদানা, শিরে তবু গোলাপের তাজঠোঁটে তার কষ্টবোঁটা, দুই চোখে দুই ডানা আঁকা ঘাসফড়িঙের খোঁজে ওড়ে তাও অগ্নিবলাকা নিষিদ্ধ নিয়ম ভেঙে অনিয়ম যদিও নিয়তি নিজেকে নিবৃত্ত করে অপরের ক্ষতিকরেনি তো, বল্লম বুলেট নিয়ে ফরমান জারি না করার অভিমানে নেই আহাজারি কবির সম্বল শুধু ঘাসপাতালতা কবিরও বরাদ্দ আছে আপন ক্ষমতা […]
আমরা আবহমান ধ্বংস ও নির্মানে
সেদিন ছিল শনিবার আমার মনে ঘুংঘুর বেজে উঠল হঠাৎ তুমি তাহলে নিশ্চয়ই আসছো । তুমি মেজেন্টা ভালোবাস, শাড়িতে সেই রঙ তুমি বর্ষা দেখতে পাগল,তাই চোখের চার পাশে কাজল পরা মেঘ । বিছানা একটু নরম না হলে লাগবে তাই আচলের ঘের কমিয়ে তুলতুলে দুটো বালিশ এভাবে দ্বিকবিদ্বিক জেগে বসে চাঁদ চলে গেল দখিনের পথে তাঁর মুচকি […]
বুক পেতে শুয়ে আছি ঘাসের উপরে চক্রবালে
বুক পেতে শুয়ে আছি ঘাসের উপরে চক্রবালে তোমার ধানের মুখে ধরে আছি আর্ত দুই ঠোঁট তুমি চোখ বন্ধ করো, আমিও দুচোখ ঢেকে শুনি যেন কোন্ তল থেকে উঠে আসে পাতালের শ্বাস সমস্ত দিনের মূর্ছা সেচন পেয়েছে এইখানে মুহূর্ত এখানে এসে হঠাত্ পেয়েছে তার মানে নিজের পায়ের চিহ্ন নিজে আর মনেও রাখেনি আমিও রাখিনি কিছু, তবু […]

