স্নান করে উঠে কতক্ষণ
ঘাটে বসে আছে এক উন্মাদ মহিলা
মন্দিরের পিছনে পুরনো
বটগাছ। ঝুরি।
ফাটধরা রোয়াকে কুকুর।
অনেক বছর আগে রথের বিকেলে
নৌকো থেকে ঝাঁপ দিয়ে আর ওঠেনি যে-দস্যি ছেলেটা
এতক্ষণে, জল থেকে
সে ওঠে, দৌড় মারে, ঝুরি ধরে খুব দোল খায়
সারা গা শ্যাওলায় ভরা, একটা চোখ মাছে খেয়ে গেছে
কেউ তাকে দেখতে পায় না, মন্দিরের মহাদেবও ঢুলছে গাঁজা খেয়ে
সেই ফাঁকে, এরকম দুপুরবেলায়–
সে এসে মায়ের সঙ্গে মাঝে মাঝে দেখা ক’রে যায়।
Related Articles
সেই এক রোদের রাখাল
এখনো আগের মতো দিন যায় নিজের নিয়মে। সারাদিন ধুলো রোদে, তিন ভাগ রাত কাটে বিনিদ্র নেশায় গহিন হৃদয় খুলে একা একা, তারপর… পলাতক পাখিদের নাম, চিতল হরিণ আর সেই চৈত্রের দুপুর__সেই এক রোদের রাখাল তারে খুঁজি, একটি গোলাপ কেন আজ তবে ফুটেছে শাখায়, বিষন্ন গোলাপ! এখানে তো পাখিহীন, পুষ্পহীন, উষর জীবন, এখানে কি জল ছিলো […]
কোথাও কেউ নেই
স্বপ্নের ভিতর থেকে হেঁটে আসে এক সিদ্ধ পুরুষ; সস্নেহে হাত বাড়িয়ে বললেন, ‘চলো’ । অমোঘ নির্দেশের মতো শোনায় তাঁর কণ্ঠস্বর – যেমন বলতেন বাবা ছোটবেলায় ! মন্ত্রাবিস্টের মতো উঠে বসি আমি আর অনুগামী হই নিঃশব্দে অনন্তের পথ ধরে অনন্তকাল – গন্তব্য কোথায় জানিনা । না আলো না আঁধার, অসীমের মতো নিরাকার নির্ভার মনে হয়, ভূত […]
নন্দ'র মা
সেই কোন দেশে আমরা যাচ্ছিলাম কোন দেশ ছেড়ে আমরা যাচ্ছিলাম পেরিয়ে পেরিয়ে উঁচু-নীচু ঢালু মাঠ শিশির ভেজানো কাঁটাতার, গাছপালা আলপথে নেমে আমরা যাচ্ছিলাম ধানখেত ভেঙে আমরা যাচ্ছিলাম ছোটবোন আর মা-বাবা, গ্রামের লোক তার পাশে আমি দুলালী না প্রিয়বালা? বাবা-মা’র ডাক বাড়িতে দুলালী বলে প্রিয়বালা নাম দিয়েছিল পাঠাশালা দু’তিন ক্লাসের লেখা-পড়া সবে শুরু গ্রামে কে বলল […]


