অসাধ্য নয়, কিছুই এখন
অসাধ্য নয় তোমার পক্ষে
নদীর উপর নৌকো রাখো
পুরুষ রাখো নারীর বক্ষে
মাঠের শেষে গাছটি রাখো
গাছটিতে হও নিষিদ্ধ ফল
পথিকজনকে দেখাও পথে
গুচ্ছ গুচ্ছ তরুণীদল
গ্রামের মধ্যে পথ পেতে দাও
পুষ্করিণী, পথের পাশে
নোটনরা সব নাইতে নামুক
কাপড় শুকোক দূর্বা ঘাসে
এসব যদি পারো ঠাকুর
এসো, আমার মাথায় চাপো
চূর্ণি নদী পার করে দিই-
সবার জন্য অন্ন মাপো!
Related Articles
প্রিয়াংকা বড়ুয়া
প্রিয়াংকা বড়ুয়া তোর ঠোঁটের মিহিন আলো আমাকে দে না একটু ইলেকট্রিসিটি নেই বছর কয়েক হল আমার আঙুলে-হাতে তোর ওই হাসি থেকে একটু কি নিভা দিবি আমার শুকনো ঠোঁটে যখনি বলবি তুই কবিতার খাতা থেকে তুলে দিয়ে দেব তোকে আগুনও আছে নাকি তোর দেহে কোনো খাঁজে চাইতে বিব্রত লাগে জোনাকির সবুজাভ […]
স্ত্রী
রান্নাঘর থেকে টেনে এনে স্তনগুচ্ছে চুমু খাও তাকে, বাথরুমে ভেজানো দরোজা ঠেলে অনায়সে ঢুকে যাও- সে যেখানে নগ্ন দেহে স্নানার্থেই তৈরি হয়ে আছে আলোকিত দুপুরের কাছে, মনে রেখো, তোমার রাত্রি নেই অন্ধকার বলে কিছু; বিবাহিত মানুষের কিছু নেই একমাত্র যত্রতত্র স্ত্রী-শয্যা ছাড়া। তাতেই শয়ন কর বাথরুমে, পুজোঘরে, পার্কে, হোটেলে, সন্তানের পাশ থেকে টেনে এনে ঠোটগুচ্ছে […]
ওই কালস্রোত
ওই কালস্রোত। আমি সিমেন্ট বাঁধানো পাড় থেকে হাত ডোবাই। আমার আঙুল গলে যায়। কব্জি, বাহু গলে যায়। ঘাড়ের উপরে মুণ্ডু নিয়ে আমি হাত-পা-কাটে জগন্নাথ নদী-নালা আঁকা এক ঘুরন্ত বলের পিঠে বসে থাকি। শূন্যে পাক খাই।

