অসাধ্য নয়, কিছুই এখন
অসাধ্য নয় তোমার পক্ষে
নদীর উপর নৌকো রাখো
পুরুষ রাখো নারীর বক্ষে
মাঠের শেষে গাছটি রাখো
গাছটিতে হও নিষিদ্ধ ফল
পথিকজনকে দেখাও পথে
গুচ্ছ গুচ্ছ তরুণীদল
গ্রামের মধ্যে পথ পেতে দাও
পুষ্করিণী, পথের পাশে
নোটনরা সব নাইতে নামুক
কাপড় শুকোক দূর্বা ঘাসে
এসব যদি পারো ঠাকুর
এসো, আমার মাথায় চাপো
চূর্ণি নদী পার করে দিই-
সবার জন্য অন্ন মাপো!
Related Articles
কথোপকথন- ৩৯
তোমাকে বাজাই সমুদ্র-শাঁখ তুমি গাছে ফুল আসে ফুলেরা কিশোরী হয় । ডালপালাগুলো সবুজ পাতার খামে চিঠি লিখে লিখে প্রেম নিবেদন করে । ফ্রক ছেড়ে শাড়ি পরে সমগ্র বনভূমি । তোমাকে ভাসাই মেঘের নৌকো তুমি তুমি জান লাল প্রবালের নীল দ্বীপ । অমরাবতীর দরজায় এসে নামো, খাট-পালঙ্ক পেতে দেয় জোৎস্নারা । বুড়ি চাঁদ এসে ঝাড়-লন্ঠন জ্বালে […]
জবানবন্দী
সত্য বই মিথ্যা বলিব না। হুজুর, ধর্মাবতার, প্রয়াতা শান্তিলতার সঙ্গে মদীয়ের কোনো রকম থারাপ সম্পর্ক ছিলো না্ ইহা সত্য যে, একবার মৌরিগ্রাম হইতে তাহাকে থলকমলের চারা আনিয়া দেই। আমাদের বংশে স্থলপদ্ম, বকফুল ইত্যাদি কিছু কিছু গাছ লাগানোর আস্য নাই। হুজুর, ধর্মাবতার, আস্য কথাটির অর্থ বলা কঠিন, সোজা করিয়া বলা যাইতে পারে ঐ সব গাছ লাগানোর […]
মিলনটুকুই খাঁটি
মিছেই তুমি করছ বিবাদ দিচ্ছ কঠিন আড়ি, তোমার কথার তুবড়ি তো শেষ চলো এবার বাড়ি; তোমার ক্রোধ তোমার দ্রোহ মলিন হবে রাতে, আমার পিঠেই নাচবে দু-হাত আনন্দে-আহ্লাদে; কিসের বিরোধ কিসের দ্রোহ শয্যা-পরিপাটি পুরুষ-নারীর মিলনই সব মিলনটুকুই খাঁটি।

