অসাধ্য নয়, কিছুই এখন
অসাধ্য নয় তোমার পক্ষে
নদীর উপর নৌকো রাখো
পুরুষ রাখো নারীর বক্ষে
মাঠের শেষে গাছটি রাখো
গাছটিতে হও নিষিদ্ধ ফল
পথিকজনকে দেখাও পথে
গুচ্ছ গুচ্ছ তরুণীদল
গ্রামের মধ্যে পথ পেতে দাও
পুষ্করিণী, পথের পাশে
নোটনরা সব নাইতে নামুক
কাপড় শুকোক দূর্বা ঘাসে
এসব যদি পারো ঠাকুর
এসো, আমার মাথায় চাপো
চূর্ণি নদী পার করে দিই-
সবার জন্য অন্ন মাপো!
Related Articles
পাখি হয়ে যায় প্রাণ
অবশেষে জেনেছি মানুষ একা ! জেনেছি মানুষ তার চিবুকের কাছেও ভীষণ অচেনা ও একা ! দৃশ্যের বিপরীত সে পারে না একাত্ম হতে এই পৃথিবীর সাথে কোনোদিন। ফাতিমা ফুফুর প্রভাতকালীন কোরানের মর্মায়িত গানের স্মরণে তাই কেন যেনো আমি চলে যাই আজো সেই বর্নির বাওড়ের বৈকালিক ভ্রমণের পথে, যেখানে নদীর ভরা কান্না শোনা যেত মাঝে মাঝে জনপদবালাদের […]
কাল রাতের বেলা গান এল মোর মনে
কাল রাতের বেলা গান এল মোর মনে, তখন তুমি ছিলে না মোর সনে।। যে কথাটি বলব তোমায় ব’লে কাটল জীবন নীরব চোখের জলে সেই কথাটি সুরের হোমানলে উঠল জ্বলে একটি আঁধার ক্ষণে- তখন তুমি ছিলে না মোর সনে।। ভেবেছিলেম আজকে সকাল হলে সেই কথাটি তোমায় যাব বলে। ফুলের উদাস সুবাস বেড়ায় ঘুরে, পাখির গানে আকাশ […]
তোষণ
মানবতার শিশু আজ কেঁদে কেটে মরে নিভৃতে কাঁদে বিচারের বাণী আফ্রিকা থেকে এশিয়া পর্যন্ত শকুনী দৃষ্টি দেয় বিশ্বকর্মারা মুখে তাদের ভালোবাসার ফুলঝুরি অন্তরে বিষ। তাদের কথা মত তুর্কি নাচন নাচে আর কুম্ভকর্ণের মত ঘুমিয়ে থাকে আমাদের কর্তারা সামনে হাটু গেড়ে বসে থাকে নিষ্কর্মা পীর-পুরোহিত। (কবিতাটি ‘শব্দনীড় এবং প্রথমআলো ব্লগে প্রকাশিত)

