স্ত্রী

রান্নাঘর থেকে টেনে এনে স্তনগুচ্ছে চুমু খাও তাকে,
বাথরুমে ভেজানো দরোজা ঠেলে অনায়সে ঢুকে যাও-
সে যেখানে নগ্ন দেহে স্নানার্থেই তৈরি হয়ে আছে
আলোকিত দুপুরের কাছে, মনে রেখো, তোমার রাত্রি নেই
অন্ধকার বলে কিছু; বিবাহিত মানুষের কিছু নেই
একমাত্র যত্রতত্র স্ত্রী-শয্যা ছাড়া। তাতেই শয়ন কর
বাথরুমে, পুজোঘরে, পার্কে, হোটেলে,
সন্তানের পাশ থেকে টেনে এনে ঠোটগুচ্ছে চুমু খাও তাকে।

তার প্রতিটি উৎফুল্ল লগ্নে এক-একটি চুম্বন,
প্রতিটি রক্তিম মুখে এক-একটি নিঃশ্বাস দিতে হবে।
সভ্যতা ধংস হোক, গুরুজন দাড়াক দুয়ারে,
শিশুরা কাদতে থাক, যমদূত ফিরে যাবে এবং অভাব
দেখো লজ্জা পেয় ম্লান হবে কিশোরীর মতো।

যেমন প্রত্যহ মানুষ ঘরের দরোজা খুলেই
দেখ নেয় সবকিছু ঠিক আছে কিনা, তেমনি প্রত্যহ
শাড়ির দরোজা খুলে স্ত্রীকেও উলঙ্গ করে
দেখে নিতে হয়, ভালো করে দেখে নিতে হয়:
-জঙ্ঘায়, নিতম্বে কিংবা সংরক্ষিত যোনির ভিতরে
অপরের কামনার কোন কিছু চিহ্ন আছে কি না।

মন্তব্য

মন্তব্য সমুহ

সম্পর্কিত পোষ্ট =>  সেই রাত্রির কল্পকাহিনী
নির্মলেন্দু গুন- এর আরো পোষ্ট দেখুন →
রেটিং করুনঃ
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (No Ratings Yet)
Loading...

One thought on “স্ত্রী”

  1. এরই নাম কি বিশ্বাস? যে সংসারে স্ত্রীর প্রতি বিশ্বাস থাকেনা সে সংসারে ভালবাসা কোথায়? সংসার ধর্মের প্রথম শর্ত এক জন অপর জনের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস থাকতে হবে, নয়তো সে সংসার বেশি দিন টেকেনা। আমি বাস্তব জীবনে এরকম অনেক দেখেসি তাই আমি কবির সাথে একমত হতে পারছিনা।

Comments are closed.