ভীষণ ক্ষুধার্ত, ভীষণ তৃষিত।
দিন যায় অনাহারে। অক্ষর বর্জিত
জ্বলন্ত সময়। ব্রাত্য মানুষের গল্প
কে লেখে?_ যেটুকু লেখা হয় অতীব সামান্য, অল্প
নিকট স্মৃতির মধ্যে জেগে আছে একটি ঘটনা। বাকি সব গৌণ।
মাতৃভাষায় যে শব্দ কাম, তথা যৌন
উথালপাতাল হলো বৃষ্টির সন্ধ্যায়।
মেঘের গর্জন। জলের নষ্টামি। বারান্দায়।
নস্টালজিয়ার নিম্নচাপ-উচ্চচাপ আছে। ভাবানুষঙ্গে হঠাৎ
জড়ো হলে বেড়ে যায় প্রবণতাময় সন্ধ্যা, রাত
Related Articles
তুমি-তো বন্দিত নিত্য
তুমি-তো বন্দিত নিত্য নন্দিত নরকে বাঙালির বুকে-মুখে তোমার তারিফ; শঙ্খনীল কারাগারে, অপেক্ষা-সড়কে বহুব্রীহি শিখা জ্বেলে দারুচিনি দ্বীপ জোছনা ও জননীর গল্প বলে যায় শ্রাবণ মেঘের দিনে বাঙালির ঘরে, তাবৎ দেয়াল ভেঙে যুক্তির শিখায় যখন স্বদেশ মুক্ত বিশ্ব-চরাচরে। তুমি সেই মুক্তিযোদ্ধা, যুক্তি-অস্ত্রধারী, আগুন পরশমণি, চিত্তে মানবিক; মেঘের ছায়ায় ভেসে গাঙুড়ের পাড়ি, নুহাশপল্লীর মায়া স্বর্গের অধিক। জোনাকি-আলোয় […]
বক্তৃতা বাবু
হেই বক্তৃতা বাবু! তুই হুই শহরের সাততলা বাড়ী থেকে নামলি মাচায়, এলি গাড়ী চড়ে মিটিং করতে আমাদের শরীরের কালো রঙ সাবান মাখিয়ে ফর্সা করতে, আমাদের ছেলে মেয়েদের ভালো,সভ্য করতে ; এলি যেন লাট সাহেবের নাতি! বক্তৃতা দিয়ে যাবিও সেখানে—কল টিপলেই জল পড়ে। ঘর আলো হয় ঘুটঘুটে কালো রাতে; আবার বিজলি পাখাও ঘোরে- বক্তৃতা দিয়ে শরীরে […]
এই শীতে কোন্ আঁধি
কখন কার চোখে কোন্ সে আলো লাগে, বঁধুর জানা আছে?-কারো কি জানা থাকে, আলোর উৎসটি কোন্ সে দিক থেকে কার যে চোখে লাগে কেউ কি জানে নাকি? যদি বা জানা যেতো না হয় তদবির কিংবা তদারকি মানুষ করে যেতো- মানুষ অসহায় দৈব অজানা যে! বঁধুর দুই চোখে কোন্ সে আলো লাগে, কেউ কি খোঁজ রাখে: […]

