অন্ধকারের মাঝে আমায় ধরেছ দুই হাতে।
কখন্ তুমি এলে, হে নাথ, মৃদু চরণপাতে?।
ভেবেছিলেম, জীবনস্বামী, তোমায় বুঝি হারাই আমি–
আমায় তুমি হারাবে না বুঝেছি আজ রাতে ॥
যে নিথীথে আপন হাতে নিবিয়ে দিলেম আলো
তারি মাঝে তুমি তোমার ধ্রুবতারা জ্বালো।
তোমার পথে চলা যখন
ঘুচে গেল, দেখি তখন
আপনি তুমি আমার পথে লুকিয়ে চল সাথে ॥
রাগ: অজ্ঞাত
তাল: অজ্ঞাত
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ):১৩১৭
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১৯১০
Related Articles
দ্বীপান্তরের বন্দিনী
আসে নাই ফিরে ভারত-ভারতী মা’র কতদিন দ্বীপান্তর? পুণ্য বেদীর শূন্যে ধ্বনিল ক্রন্দন-‘দেড় শত বছর।’…. সপ্ত সিন্ধু তের নদী পার দ্বীপান্তরের আন্দামান, রূপের কমল রূপার কাঠির কঠিন স্পর্শে যেখানে ম্লান, শতদল যেথা শতধা ভিন্ন শস্ত্র-পাণির অস্ত্র-ঘাস, যস্ত্রী যেখানে সাস্ত্রী বসায়ে বীনার তন্ত্রী কাটিছে হায়, সেখানে হ’তে কি বেতার-সেতার এসেছে মুক্ত-বন্ধ সুরা? মুক্ত কি আজ বন্দিনী বাণী? […]
কবিতা এমন
কবিতা তো কৈশোরের স্মৃতি। সে তো ভেসে ওঠা ম্লান আমার মায়ের মুখ; নিম ডালে বসে থাকা হলুদ পাখিটি পাতার আগুন ঘিরে রাতজাগা ভাই-বোন আব্বার ফিরে আসা, সাইকেলের ঘন্টাধ্বনি–রাবেয়া রাবেয়া– আমার মায়ের নামে খুলে যাওয়া দক্ষিণের ভেজানো কপাট! কবিতা তো ফিরে যাওয়া পার হয়ে হাঁটুজল নদী কুয়াশায়-ঢাকা-পথ, ভোরের আজান কিম্বা নাড়ার দহন পিঠার পেটের ভাগে ফুলে […]
প্রেমিকা
কবিতা আমার ওষ্ঠ কামড়ে আদর করে ঘুম থেকে তুলে ডেকে নিয়ে যায় ছাদের ঘরে কবিতা আমার জামার বোতাম ছিঁড়েছে অনেক হঠাৎ জুতোর পেরেক তোলে! কবিতাকে আমি ভুলে থাকি যদি অমনি সে রেগে হঠাৎ আমায় ডবল ডেকার বাসের সামনে ঠেলে ফেলে দেয় আমার অসুখে শিয়রের কাছে জেগে বসে থাকে আমার অসুখ কেড়ে নেওয়া তার প্রিয় খুনসুটি […]

