পুরনো বছরের নুড়িপাথরগুলো, একবার
আদ্যোপান্ত ঘেঁটে দেখলে কেমন হয়?
পরক্ষণে উঠবে না তো আবার তুমুল শোরগোল
ঘাঁটাঘাঁটি করে কীই-বা লাভ_
পরিত্যক্ত বর্জ্য নিয়ে কেউ কি আর মাথা ঘামায় তেমন
শুধু ছোট রানীরই নয় ঘুঁটেকুড়োনিরও দেমাক ভারী!
ওহে ভস্মলোচন চন্দ্রবদন, গুনতে হবে যে গাঁটের কড়ি
তার বদলে কি কি চাও তাও জানি
_না না দিব্যি কেটে বলতে পারি…
_এই যে আঁটছি মুখে কুলুপ, আর হবে না কথার খেলাপ।
Related Articles
গুহাবাসী
-চলে যাবে? সময় হয়েছে বুঝি? -সময় হয়নি, তাই চলে যাওয়া ভালো -এসো না এখনো এই গুহার ভিতরে খুঁজি পড়ে আছে কিনা কোনো চুপচাপ আলো -অথবা দু‘জনে চলো বাইরে যাই? -আমার এ নির্বাসন-দণ্ড আজ শেষ হবে? ওসব হেঁয়ালি আমি বুঝি না, তোমাকে সবার মধ্যে চাই -বহূদিন জনারণ্যে কাটিয়েছি, উৎসবে-পরবে পিঁপড়ের মতো আমি খুঁটেখুঁটে জমিয়েছি সুখ উপভোগ […]
পৈতৃক আঙন
গোধূলিগগনে মেঘে ঢেকেছিল তারা, যুদ্ধ ছাড়াই ধ্বংসাবশেষে বাস তোমাকে দেখলে মনে হয় আজীবন বাস্তুহারা, শূন্যতার ভিতরে হিংসতার সন্ত্রাস প্রণয়বশে কিছুই দেবে না জন্মের দেশ, কেটে যায় বেলা, সূর্যাস্তে আকাশকুসুমচয়ন বহমান রক্ত যখন নিঃশেষ ভস্মের ভিতরে মাতৃভূমি, পৈতৃক আঙন জার্মানিপ্রবাসী
প্রত্যেক তৃতীয় চিন্তা
মানুষের মতো চোখ, বিস্ফোরণ, সমাধির মতো শূন্যে প্রচ্ছন্ন কপাল পদচুম্বনের মতো ভালোবাসা ভিতরে রয়েছে ভালোবাসা তিনশো মাইল দূরে গিয়ে আলিঙ্গন করে দূর থেকে ভালোবাসা দেখে যেতে লোভ হয়, শরীর লুকোতে চায় জ্যোৎস্নালোকে, তবুও জ্যোৎস্নায় স্পষ্ঠ ছাড়া পড়ে এত স্পর্শকাতরতা। গোলাপের মতো এক ধানক্ষেত, পুরুষ নামের সব নদী বড় চেনা লাগে, দুঃখে কোনো পাপ নেই- যত […]

