পুরনো বছরের নুড়িপাথরগুলো, একবার
আদ্যোপান্ত ঘেঁটে দেখলে কেমন হয়?
পরক্ষণে উঠবে না তো আবার তুমুল শোরগোল
ঘাঁটাঘাঁটি করে কীই-বা লাভ_
পরিত্যক্ত বর্জ্য নিয়ে কেউ কি আর মাথা ঘামায় তেমন
শুধু ছোট রানীরই নয় ঘুঁটেকুড়োনিরও দেমাক ভারী!
ওহে ভস্মলোচন চন্দ্রবদন, গুনতে হবে যে গাঁটের কড়ি
তার বদলে কি কি চাও তাও জানি
_না না দিব্যি কেটে বলতে পারি…
_এই যে আঁটছি মুখে কুলুপ, আর হবে না কথার খেলাপ।
Related Articles
শ্লোক
সেই মেয়েটি আমাকে বলেছিল: সঙ্গে এসো, বেরিয়ে এসো, পথে। আমার পায়ে ছিল দ্বিধার টান মুহূর্তে সে বুঝেছে অপমান জেনেছে এই অধীর সংকটে পাবে না কারো সহায় একতিলও– সেই মেয়েটি অশথমূলে বটে বিদায় নিয়ে গাইতে গেল গান। আমি কেবল দেখেছি চোখ চেয়ে হারিয়ে গেল স্বপ্নে দিশাহারা শ্রাবণময় আকাশভাঙা চোখ। বিপ্লবে সে দীর্ঘজীবী হোক এই ধ্বনিতে জাগিয়েছিল […]
একুশে ফেব্রুয়ারী
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু-গড়া এ ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি। জাগো নাগিনীরা জাগো নাগিনীরা জাগো কালবোশেখীরা শিশুহত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা, দেশের সোনার ছেলে খুন করে রোখে মানুষের দাবী দিন বদলের ক্রান্তি লগনে তবু তোরা […]
বসন্ত বন্দনা
হয়তো ফুটেনি ফুল রবীন্দ্রসঙ্গীতে যত আছে, হয়তো গাহেনি পাখি অন্তর উদাস করা সুরে বনের কুসুমগুলি ঘিরে। আকাশে মেলিয়া আঁখি তবুও ফুটেছে জবা,—দূরন্ত শিমুল গাছে গাছে, তার তলে ভালোবেসে বসে আছে বসন্ত পথিক। এলিয়ে পড়েছে হাওয়া, ত্বকে কী চঞ্চল শিহরন, মন যেন দুপুরের ঘূর্ণি-পাওয়া পাতা, ভালোবেসে অনন্ত সঙ্গীত স্রোতে পাক খেয়ে, মৃত্তিকার বুকে নিমজ্জিত হতে চায়। […]


