চোখ ধাঁধিয়ে তিরতিরিয়ে কাঁপছে ভীষণ
রেলের পাটি।
দুই শালিকে ঠোঁট নাড়িয়ে চিল চীৎকার
ঝগড়াঝাঁটি।
লাল মোরামের ভ্রান্ত পথের ক্লান্ত পথিক
ছোটাছুটি।
শাল পিয়ালের গহন বনে মেঘ কালো মেয়ে
রূপরেখাটি।
তপ্ত দুপুর মাটির দাওয়ায় ভাত ঘুমের ওই
শীতলপাটি।
তন্দ্রা চোখে পেঁজা তুলোর স্বপ্ন ফেরী
কাটাকুটি।
Related Articles
কীভাবে এলাম এই শহরে
কীভাবে এলাম এই শহরে, সে মস্ত ইতিহাস! হামাগুড়ি দিয়ে আর ট্রেনের পিছনে ট্রেন ধরে রেললাইনে হাতেপায়ে তালা ও শিকল বেঁধে শুয়ে ট্রেন এসে পড়ামাত্র চক্ষের নিমিষে ড্রাইভারের কেবিনের জানলা দিয়ে জনতার প্রতি হাত নেড়ে টুপির ভেতর থেকে পায়রা খরগোশ ধরে, ছেড়ে, মাথার এদিক দিয়ে রড ঢুকিয়ে ওদিকে বার করে সম্মোহন করে নিজ সহকারিণীকে বাক্সে ভরে […]
এটাই নিয়তি
গেদু মিয়া মধু মিয়া যদু মিয়া আর পথেঘাটে যাকে দেখে তাকে ধরে মার। এরা হল গায়েঁর নেতা বাউন্ডুলেন দল মানে নাকো জ্ঞানী গুনী দেখায় বাহুবল। বাবা-মার কথামত চলেনাতো এরা এলোমেলো ভাবে শুধু পথেঘাটে ঘোরা। লেখাপড়া করেনা কেউ যায়না স্কুলে নেশা করা মদ খাওয়া এসবই চলে। পথেঘাটে যদি কোন মা-বোনেরা চলে শিষ দিয়ে এরা শুধু বাজে […]
আমরা আবহমান ধ্বংস ও নির্মানে
মাঝে মাঝে তোমার সেই প্রিয় কবিকে ভীষন ঈর্ষা করতে ইচ্ছে করে আমার । আমার প্রিয় কবি ,কার কথা বলছো তুমি ? তোমার প্রথম চিঠির শিরোনামায় টাঙ্গিয়ে দিয়েছিলে যার কোটেশান । সেই কবেকার কথা, খোঁটা দিয়ে খুব সুখ পাচ্ছ বুঝি ? কাকের পিঠে ময়ুর পিচ্ছের মতো একাডেমী তাঁর গলায় মালা পড়িয়ে দিলো যেদিন তারপর থকেই বিসর্জনের […]

