যত আমার বয়স বাড়ছে
তত আমি পেনশনার হয়ে উঠছি
বয়স আমারে অনামা করে তুলেছে
নিজের কাছে এবং অন্যদের কাছে
(আমার এখন কোনো নাম নেই
সবার কাছে আমি প্রান্ত কা কিংবা দাদাভাই)
কে কি আমার সম্বন্ধে ভাবছে
আমার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই,
আমার ঘরবাড়ি থেকেও নেই
যত শেষের দিনগুলো কাছে আসে
চিরন্তন অভাব আমাকে ঘিরে ধরে
কেন শেষদিন পর্যন্ত বাঁচব আমি জানি না,
মধ্যে মধ্যে নিজেকে হত্যা করার ইচ্ছা হয়
আমার গল্পের একটা শেষ আছে,
আমি নিজেকে হত্যা করি না এই ভেবে
আমার পালা কবুতরগুলি কে দেখবে।
Related Articles
বৃষ্টি
খররৌদ্রময় এই দিন— শ্যামল বাংলায় বুঝি ফের নেমে আসে খরা! খরতাপে রুদ্ধশ্বাসক্ষুদ্র এই গ্রামীণ শহর, এ রকম এই দিনে চেতনায়ও খরার প্রদাহ— নির্বাচনে হেরে-যাওয়া প্রার্থী যেন: বিরক্ত, বিব্রত; এ রকম দুঃসময়ে এল বৃষ্টির শব্দের মতো সুখকর এই পত্র—প্রাগের প্রাচীর থেকে উড়ে! কুপিত, বিব্রতকর এই রোদে খামটি খুলিনি; আমি তো অপেক্ষা জানি: এই খররৌদ্রে কখনো কি […]
শুভরাত্রি লেখা মেঘ
প্রেমিকাকে অনুনয় করেছিলে, মৃত্যুর এক বছর আগে একফালি কাগজে শুধু ‘শুভরাত্রি’ লিখে যেন সে পাঠায়, তুমি বালিশের নীচে নিয়ে শোবে । এখন রাত্রির দিকে তাকালেই দেখি তোমার ফুসফুস থেকে জলন্ত কয়লারা বার হয়ে আকাশে আকাশে জ্বলছে! জোছনারা ঠিকরে পড়ছে সকল গাছের পাতা থেকে শুধু ‘শুভরাত্রি’ লেখা এক খণ্ড মেঘ চাঁদের তলায় এসে থেমে গেলো । […]
এবার কবিতা লিখে
এবার কবিতা লিখে আমি একটা রাজপ্রাসাদ বানাবো এবার কবিতা লিখে আমি চাই পনটিয়াক গাড়ি এবার কবিতা লিখে আমি ঠিক রাষ্ট্রপতি না হলেও ত্রিপাদ ভূমির জন্য রাখবো পা উঁচিয়ে- মেশপালকের গানে এ পৃথিবী বহুদিন ঋণী! কবিতা লিখেছি আমি চাই স্কচ, শাদা ঘোড়া, নির্ভেজাল ঘৃতে পক্ক মুরগী দু-ঠ্যাং শুধু, বাকি মাংস নয়- কবিতা লিখেছি তাই আমার সহস্র […]

