যত আমার বয়স বাড়ছে
তত আমি পেনশনার হয়ে উঠছি
বয়স আমারে অনামা করে তুলেছে
নিজের কাছে এবং অন্যদের কাছে
(আমার এখন কোনো নাম নেই
সবার কাছে আমি প্রান্ত কা কিংবা দাদাভাই)
কে কি আমার সম্বন্ধে ভাবছে
আমার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই,
আমার ঘরবাড়ি থেকেও নেই
যত শেষের দিনগুলো কাছে আসে
চিরন্তন অভাব আমাকে ঘিরে ধরে
কেন শেষদিন পর্যন্ত বাঁচব আমি জানি না,
মধ্যে মধ্যে নিজেকে হত্যা করার ইচ্ছা হয়
আমার গল্পের একটা শেষ আছে,
আমি নিজেকে হত্যা করি না এই ভেবে
আমার পালা কবুতরগুলি কে দেখবে।
Related Articles
আদি সত্যের পাশে
আদি সত্যের পাশ দিয়ে একটি নদী বইছিল আমি সামান্য মানুষ, নদীকে বললাম, থামো আর দেখো, উতরোল জলস্রোতে কাঁপতে কাঁপতে নিশ্চল সত্য কত অনায়াসে ডুবে গেল। নিমজ্জিত সত্যের ওপর এখন কালান্তক ঢেউয়ের বুদবুদ। পাখি উড়ছে কোয়াক কোয়াক করে ডাকছে। একটি যাযাবর হাঁস। একটি মাঝি পালের দড়িছড়া ঠিক করতে করতে গাইল ‘মনমাঝি তোর বৈঠা নেরে আমি আর […]
মা
এত সুন্দর এত অপরূপ এত নির্মল ,বিশাল তোমার অরূপ রূপ , নবজীবনে নব দূর্গা তুমি — হে নারী ,তোমার স্বরূপ কে চেনো , তুমি জাগো !! হে প্রলয়ঙ্করী ,হে মমতা সুন্দরী ছড়াক বিশ্বে তোমার মধুর অমৃত বাণী ; এসো হে দূর্গা ,এসো হে কালী হে লক্ষ্মীরূপা ,সুষমা মুরতি — হে নারী তুমি জাগো !! জাগো […]
তোষণ
মানবতার শিশু আজ কেঁদে কেটে মরে নিভৃতে কাঁদে বিচারের বাণী আফ্রিকা থেকে এশিয়া পর্যন্ত শকুনী দৃষ্টি দেয় বিশ্বকর্মারা মুখে তাদের ভালোবাসার ফুলঝুরি অন্তরে বিষ। তাদের কথা মত তুর্কি নাচন নাচে আর কুম্ভকর্ণের মত ঘুমিয়ে থাকে আমাদের কর্তারা সামনে হাটু গেড়ে বসে থাকে নিষ্কর্মা পীর-পুরোহিত। (কবিতাটি ‘শব্দনীড় এবং প্রথমআলো ব্লগে প্রকাশিত)

