এই দেশে জন্মেছি বলেই বিজ্ঞ বাউল, আমি তোমার
আঙ্গুল ধরে টেনেছিলাম ধর্ম ও ফুল
আমি তোমাকে স্পর্শ কোরে বলেছিলাম গভীরতায়
আবার যখোন আসবো, আমি দেখিয়ে দেবো
জল কেন যায় মাটির চিবুক ভিজিয়ে জলের স্রোত কে যায়
চরৈবেতি…
আমি তোমাকে শিখিয়ে দেবো
শিকড় আমার শিকড়, আমি ফুল ফুটিয়ে ফুল ফুটিয়ে
কি কোরে যাই মাটির নীচে মমতা আমি দেখিয়ে দেবো
কি কোরে যাই কি কোরে যাই!
এই দেশে জন্মেছি বলেই ফুল ফোটানোর প্রজ্ঞা আমি
পেয়েছিলাম, অনাবরণ আজ যদিবা হত্যাপ্রবণ
খরায় আমি।
পুড়তে পুড়তে এই ভাবে যাই, এই ভাবে যাই
এই দেশে জন্মেছি বলেই ব্যর্থ বাউল, আমি তবুও বলেছিলাম
চরৈ্বেতি…চরৈবেতি
পুড়তে পুড়তে যেই ভাবে যাই চলেছিলাম চরৈবেতি
পুড়তে পুড়তে সবটা আমার
সবটা জুড়ে শীতল… আমি যেভাবে জল বলেছিলাম!
পুড়তে পুড়তে বলেছিলাম
মাটির চিবুক ভিজিয়ে আমি আমার চোখে বলেছিলাম।
বিচিত্রা : ১৩৮০
Related Articles
সুন্দর, আরো সুন্দরতর
বন থেকে বনে দৌড়াচ্ছে আজ একটি মাত্র চিতল হরিণ- বসন্ত দিনের বার্তাবহ হাওয়ার শিখরে, যূহারা, গর্ভে তার আরেকটি তৃষ্ণা ভূণ-কস্তুরী গন্ধে উন্মন বন থেকে বনে দৌড়াচ্ছে আজ সে লাফিয়ে উঠছে বনের মাথায় গভীর যন্ত্রণায় ছটফট-ধনুকের ছিলার মতো বেঁকে টানটান- বাঁশবন তোলে ঐকতান, একা একা সে দৌড়ায় প্রাণপণ-যূথহারা বন থেকে বনে আজ একটি সুন্দর স্বপ্ন যেন […]
জ্যোৎস্না রাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে
জ্যোৎস্নারাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে তুমি শুয়ে আছো— লাবণ্য ঝরিছে অপরুপ ; এরকম চন্দ্রের ক্রন্দন দেখেছে বাংলাদেশ । মানুষের ভিতরে এক চাঁদরানী আছেন, অতিব্যক্তিগত নাচায় তারে আমৃত্যু-শোণিতে-জোয়ারে ; সুস্থচিত্রকল্প, রোমাঞ্চ! তোমার ভিতরে এক তৃষ্ণা ছিলেন, অন্ধকারের মতো কুটিল জটিলা নদীর মতো বহুব্রীহি, সার্থক ; সেখানে দীক্ষা নেয় জলের প্রাণীরা, গভীরতা কতদূর জানে না মাছরাঙা— শ্মশানে পুড়ছে কাঠ, […]
এই শীতে কোন্ আঁধি
কখন কার চোখে কোন্ সে আলো লাগে, বঁধুর জানা আছে?-কারো কি জানা থাকে, আলোর উৎসটি কোন্ সে দিক থেকে কার যে চোখে লাগে কেউ কি জানে নাকি? যদি বা জানা যেতো না হয় তদবির কিংবা তদারকি মানুষ করে যেতো- মানুষ অসহায় দৈব অজানা যে! বঁধুর দুই চোখে কোন্ সে আলো লাগে, কেউ কি খোঁজ রাখে: […]

