তাকানোর মতো করে তাকালেই চিনবে আমাকে।
আমি মানুষের ব্যাকরণ,
জীবনের পুষ্পিত বিজ্ঞা্
আমি সভ্যতার শুভ্রতার মৌল উপাদান_
আমাকে চিনতেই হবে,
তাকালেই চিনবে আমাকে।
আমাকে না চেনা মানে
মাটি আর মানুষের প্রেমের উপমা সেই
অনুপম যুদ্ধকে না চেনা।
আমাকে না চেনা মানে
সকালের শিশির না চেনা,
ঘাসফুল, রাজহাঁস, উদ্ভিদ না চেনা।
গাভিন ক্ষেতের ঘ্রাণ, জলের কসম, কাক,
পলিমাটি চেনা মানে আমাকেই চেনা।
আমাকে চেনো না?
আমি তোমাদের ডাক নাম, উজাড় যমুনা।
Related Articles
হিজলতলীর সুখ
৫৩. হিজলতলীর সুখ বলাই বাহুল্য আমি রাজনীতিবিদ নই, সুবক্তাও নই তবু আজ এই সমাবেশে বলবো কয়েক কথা সকলের অনুমতি পেলে। –’বলুন, বলুন’। রঙিন বেলুন দিয়ে মন ভোলানোর কোনো ইচ্ছে আমার নেই, উপস্থিত সুধী, কেউ ভুলে মনেও করবেন না আমি পারমিট, পেঁয়াজ আর পারফিউম ন্যায্যমূল্যে দেবো। –’পেঁয়াজটা পেলে ভালো হত’। আর কতো? যারা দিতো তারা আর […]
জন্মবৃত্তান্ত
“ক্ষুধার্ত চাষীর ঘরে জন্ম নিলো আজ এক কবি” -মোরগের উচ্চারণে ভোরের আজান; “কে সে শিশু?”-“জানো না সে কেমন মানুষ? কবি সে- তোমার কথা সর্বদাই বলবে জনে-জনে” -ব’লে আড়মোড়া ভাঙে এক সুবেহ্ সাদেকের পাখি; “তোমাদের কথা, ৰুধা ও ব্যাধির কথা রাষ্ট্র ক’রে দেবে দেশে ও বিদেশে” -ব’লে হালের বলদ দু’টি নিশ্চিনত্মে জাবর কাটে বিষণড়ব গোয়ালে৷ “স্বাগতম” […]
এসো দুখজাগানিয়া
রাত্রির গভীরে সুড়ঙ্গ কেটে খুঁজি তোমাকে। খরস্রোতা সময় নদীর উচ্ছ্বাসে ভেসে যাও তুমি; তোমার নখ, চুলের ডগা, নোনা ঠোঁট উড়ে যায়, ভেসে যায় দাম্ভিক মেঘের সাথে। কিনারায় পাথরের টুলে বসে আমি মরু পর্বতের মতো শুষ্ক শীতল। রাত্রি যত নিকষ হয় জ্যোৎস্না মাহুতের কুশ নেমে আসে বুকে। এখন তোমাকে খুব দরকার। একটু নেমে আসবে বৃষ্টি ব্যান্ডেজ […]

