এই দেশে জন্মেছি বলেই বিজ্ঞ বাউল, আমি তোমার
আঙ্গুল ধরে টেনেছিলাম ধর্ম ও ফুল
আমি তোমাকে স্পর্শ কোরে বলেছিলাম গভীরতায়
আবার যখোন আসবো, আমি দেখিয়ে দেবো
জল কেন যায় মাটির চিবুক ভিজিয়ে জলের স্রোত কে যায়
চরৈবেতি…
আমি তোমাকে শিখিয়ে দেবো
শিকড় আমার শিকড়, আমি ফুল ফুটিয়ে ফুল ফুটিয়ে
কি কোরে যাই মাটির নীচে মমতা আমি দেখিয়ে দেবো
কি কোরে যাই কি কোরে যাই!
এই দেশে জন্মেছি বলেই ফুল ফোটানোর প্রজ্ঞা আমি
পেয়েছিলাম, অনাবরণ আজ যদিবা হত্যাপ্রবণ
খরায় আমি।
পুড়তে পুড়তে এই ভাবে যাই, এই ভাবে যাই
এই দেশে জন্মেছি বলেই ব্যর্থ বাউল, আমি তবুও বলেছিলাম
চরৈ্বেতি…চরৈবেতি
পুড়তে পুড়তে যেই ভাবে যাই চলেছিলাম চরৈবেতি
পুড়তে পুড়তে সবটা আমার
সবটা জুড়ে শীতল… আমি যেভাবে জল বলেছিলাম!
পুড়তে পুড়তে বলেছিলাম
মাটির চিবুক ভিজিয়ে আমি আমার চোখে বলেছিলাম।
বিচিত্রা : ১৩৮০
Related Articles
নিরাশ্রয় পাচঁটি আঙুল
নিরাশ্রয় পাচঁটি আঙুল তুমি নির্দ্বিধায় অলংকার করে নাও, এ আঙুল ছলনা জানে না। একবার তোমার নোলক, দুল, হাতে চুড়ি কটিদেশে বিছা করে অলংকৃত হতে দিলে বুঝবে হেলেন, এ আঙুল সহজে বাজে না। একদিন একটি বেহালা নিজেকে বাজাবে বলে আমার আঙুলে এসে দেখেছিলো তার বিষাদের চেয়ে বিশাল বিস্তৃতি, আমি তাকে চলে যেতে বলিনি তবুও ফিরে গিয়েছিলো […]
প্রতিমা
৩৬. প্রতিমা প্রেমের প্রতিমা তুমি, প্রণয়ের তীর্থ আমার। বেদনার করুণ কৈশোর থেকে তোমাকে সাজাবো বলে ভেঙেছি নিজেকে কী যে তুমুল উল্লাসে অবিরাম তুমি তার কিছু কি দেখেছো? একদিন এই পথে নির্লোভ ভ্রমণে মৌলিক নির্মাণ চেয়ে কী ব্যাকুল স্থপতি ছিলাম, কেন কালিমা না ছুঁয়ে শুধু তোমাকেই ছুঁলাম ওসবের কতোটা জেনেছো? শুনেছি সুখেই বেশ আছো, কিছু ভাঙচুর […]
কাঠের পায়ে সোনার নূপুর
পাগুলো কাঠের আর নূপুরগুলো সোনার এইভাবেই সাজানো মঞ্চে নাচতে এসেছি আমরা একটু আগে ছুটে গেল যে হলুদ বনহরিনী ওর পায়ের চেটোয় সাড়ে তিনশো কাঁটা। সারাটা বিকেল ও শুয়েছিল রক্তপাতের ভিতরে সারাটা বিকেল ওকে ক্ষতবিক্ষত করেছে স্মৃতির লম্বা লম্বা পেরেক। অথচ নাচের ঘন্টা বাজতেই এক দৌড়ে আগুনের ঠিক মাঝখানে। বাইরে যখন জলজ্যান্ত দিন সিঁড়ির বাঁকে বাঁকে […]

