দুঃসাহসে কাঁধে হাত রেখে দাঁড়ালাম শেষে
এখন আমার যাত্রার পালা নিরুদ্দেশে
পেছনে থাকুক পরিচিত সব গাছের সারি
আমি চলে যাব সব কিছু ছাড়ি নিজের বাড়ি।
জানি না কোথায় ছিল ঘরবাড়ি কী ছিল সেখানে?
তবু শুধু কেন কিসের ইঙ্গিত আমাকে টানে।
আমাকে কেবলই ডাক দেয় কে যে! নাই তার ভাষা
কেবলই ইশারায় ডাক দিয়ে বলে এসো হে কবি।
আমি ডাক শুনে বাঁক ঘুরে দেখি সামনে নদী
চলে গেছে দূরে আরো বহুদূরে যেথা নিরবধি বইছে
সময় স্রোতের ধারায়। সব কিছু ছেড়ে আমি দাঁড়ালাম
একটি পুরনো গাছের ছায়ায়- কিসের মায়ায় বয়ে যায়
হাওয়া, দুচোখে আমার শুধু ঘুম পায়।
আমি স্বপ্নের মাঝেই রয়েছি তবু কেন ঘুম আমায় টানে
কাছে এসে বলে নিঝুম নিঝুম।
Related Articles
তুলনামূলক হাত
তুমি যেখানেই স্পর্শ রাখো সেখানেই আমার শরীর৷ তোমার চুলের ধোয়া জল তুমি যেখানেই খোঁপা ভেঙ্গে বিলাও মাটিকে; আমি এসে পাতি হাত, জলভারে নতদেহ আর চোখের সামগ্রী নিয়ে ফিরি ঘরে, অথবা ফিরি না ঘরে, তোমার চতুর্দিকে শূন্যতাকে ভরে থেকে যাই৷ তুমি যেখানেই হাত রাখো, যেখানেই কান থেকে খুলে রাখো দুল, কন্ঠ থেকে খুলে রাখো হার, সেখানেই […]
স্বপ্নের শিখরে
আমি এই অন্তহীন কুয়াশায় তোমার মুখটি ছাড়া কিছুই দেখি না এই বৃষ্টির অবেলা, সীমাহীন আঁধারের গ্রীবা, এই ছিন্ন বস্ত্র এখন কোথায় পাবো হরিৎ বৃক্ষের দ্যাখা মায়াময় শস্যের খামার? শেষ হয়ে গেছে কবে স্বপ্নের ভিতরে জেগে ওঠা আদর্শ আবাস। আজ বসে আছি এই ম্লান গোধূলিবেলার শীতে তমসার তীরে অতল শিশির যেন গ্রাস করে সম্পূর্ণ আমাকে সিংহের […]
রবীন্দ্র-তুরুপ
তোমাকে মাদুলি করে পরেছি গলায়, সকালে গিয়েছি আজ বকুলতলায়; শিথানে গীতবিতানের পাতা খুলে তোমাকে নকল করি চলায় বলায়। তুমিও তো শিষ্য ছিলে পোষ্য ঋষিদের; তারপর নিজেই নিজের তুমি আলখেল্লা-গুরু; লালকেল্লাবাসী তিরিশের তরুণেরা যদিও দেখিয়ে দিলো মেরিলিন উরু; স্বীকারে ও অস্বীকারে তোমাকে করতে চায় সকলেই শুরু। কী তোমার সরলতা কী তোমার দুর্বলতা এই নিয়ে চলছে বাহাস […]

