দুঃসাহসে কাঁধে হাত রেখে দাঁড়ালাম শেষে
এখন আমার যাত্রার পালা নিরুদ্দেশে
পেছনে থাকুক পরিচিত সব গাছের সারি
আমি চলে যাব সব কিছু ছাড়ি নিজের বাড়ি।
জানি না কোথায় ছিল ঘরবাড়ি কী ছিল সেখানে?
তবু শুধু কেন কিসের ইঙ্গিত আমাকে টানে।
আমাকে কেবলই ডাক দেয় কে যে! নাই তার ভাষা
কেবলই ইশারায় ডাক দিয়ে বলে এসো হে কবি।
আমি ডাক শুনে বাঁক ঘুরে দেখি সামনে নদী
চলে গেছে দূরে আরো বহুদূরে যেথা নিরবধি বইছে
সময় স্রোতের ধারায়। সব কিছু ছেড়ে আমি দাঁড়ালাম
একটি পুরনো গাছের ছায়ায়- কিসের মায়ায় বয়ে যায়
হাওয়া, দুচোখে আমার শুধু ঘুম পায়।
আমি স্বপ্নের মাঝেই রয়েছি তবু কেন ঘুম আমায় টানে
কাছে এসে বলে নিঝুম নিঝুম।
Related Articles
নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ
নেকাব্বর জানে তাঁর সম্পত্তির হিসাব চাইতে আসবে না কেউ কোনোদিন। এই জন্মে শুধু একবার চেয়েছিল একজন, ‘কী কইরা পালবা আমারে, তোমার কী আছে কিছু তেনা?’ সন্ধ্যায় নদীর ঘাটে ফাতেমাকে জড়িয়ে দু’হাতে বুকে পিষে বলেছিল নেকাব্বর; ‘আছে, আছে, লোহার চাককার মতো দুটা হাত, গতরে আত্তীর বল – আর কীডা চাস্ মাগী।’ ‘তুমি বুঝি খাবা কলাগাছ?’ আজ […]
মেসোমশায় পর্ব
যুধিষ্ঠির আববে পাণ্ডবের বাচ্চা যুধিষ্ঠির বহুতল বাড়ি থেকে নেবে আয় গলির মোড়েতে নিআয় ল্যাংবোট কৃষ্ণ ভীম বা নকুল কে কে আছে পেটো হকিস্টিক ক্ষুর সোডার বোতল ছুরি সাইকেল-চেন বলে দে দ্রৌপদীকে আলসে থেকে ঝুঁকে দেখে নিক আমার সঙ্গে আজ কিছু নেই কেউ নেই ধৃষ্টদ্যুম্ন দুর্য্যোধন নেই তোদেরই অঙ্গুলিহেলনে কেটে তর্জনীও দিয়েছি শৈশবে দাঁড়াচ্ছি পা ফাঁক […]
ভালোবাসা মানে বিচ্ছিন্নতা
অর্থহীন তোমার খেদ-উক্তি সব জ্বালিয়ে দিল আমার যা-কিছু বলার এবং লেখার উচ্চারণ এখন ছাই হয়ে বাতাসে ভাসে আর আমিও ভাসি শূন্যতার ভস্মিত অংশে হঠাৎ কখনো যদি বৃষ্টি নামে মাটিতে হয়তো পলি বাড়বে তোমার মনেও আবার নতুন অঙ্কুর সবুজ পাতারা দুলবে হয়তো স্মৃতি-উলকির বাতাস না-বলা কথা শুনতে চাইবে, না-লেখা কবিতার শব্দ একতরফা চাপিয়ে দেয়া অভিযোগের ঘানি […]

