ইলশেগুঁড়ি, ঝমঝমে বৃষ্টি
দিনমান অবিরাম।
শিক্ত বসনা যুবতী গাছেরা রশ্মির অপেক্ষায় নিরুপায়,
মাতাল বাতাস নাছোড়বান্দা।
মাঠ জুড়ে ভেজা সবুজের কার্পেট
দামাল জলের খেলাঘর।
পানারি ভাসানো ব্যস্ত নয়ানজুলিতে মাটির ছেলেদের কই উৎসব।
ধবল গাই তাড়িয়ে ঘর ফিরছে মুন্ডুরি।
টিনের ছাদে জলতরঙ্গ
উত্তাল সঙ্গীতে মাতোয়ারা পরিবেশ
শুধু আমার কিছু করার নেই।
ক্লান্ত কলমের স্ট্রাইক,
একঘেয়ে ফেসবুকও ভেঙচি কাটে।
Related Articles
রাশিয়ার চিঠি-১০
D. “Bremen” বিজ্ঞানশিক্ষায় পুঁথির পড়ার সঙ্গে চোখের দেখার যোগ থাকা চাই, নইলে সে শিক্ষার বারো-আনা ফাঁকি হয়। শুধু বিজ্ঞান কেন, অধিকাংশ শিক্ষাতেই এ কথা খাটে। রাশিয়াতে বিবিধ বিষয়ের ম্যুজিয়মের যোগে সেই শিক্ষার সহায়তা করা হয়েছে। এই ম্যুজিয়ম শুধু বড়ো বড়ো শহরে নয়, প্রদেশে প্রদেশে, সামান্য পল্লীগ্রামের লোকেরও আয়ত্তগোচরে। চোখে দেখে শেখার আর-একটা প্রণালী হচ্ছে ভ্রমণ। […]
একটু পেলে ছুটি
আকাশ যখন তারার বাগান হয় বাতাস যখন নদীর মতো বয় রাতের কানে আঁধার কথা কয় খুকুর বুকে জমতে থাকে ভয় তখন আমার ইচ্ছে জাগে একটু পেলে ছুটি ওই আকাশে তারার মতো ফুটি। সাত-সকালে শিশির যখন ঝরে নরম ছোঁয়ায় ফুলের ওপর পড়ে সূর্যমুখী পাপড়ি মেলে ধরে সেই সুবাসে যায় না থাকা ঘরে তখন আমার ইচ্ছে জাগে […]
জননী
অথচ জননী জানি সাংবুগীন কারু পারঙ্গমা প্রসন্ন প্রভায় বৃক্ষ করেছেন পিঙ্গল শিশুকে রাত্রির মমতা পর্ণে ব্রহ্মব্রতে কজ্জলে কিংশুকে বিমলিন স্তনধারে সে আমার প্রথম পরমা আমাকে নন্দিত করে হিরন্ময় প্রভাতের ফুলে ওষুধির সন্ধা হলো, অন্তজলি সুরভি সুষমা আমার ইন্দ্রিয়ে অন্ধ দেহভরে বিষণ্ন বকুলে স্বৈরাচারী অস্ত্রী রাম স্বপ্নে বলে, অবিপ্রের ক্ষমা? অবিপ্র তোমায় বলি সর্বস্ব দেহের দাসী, […]

