-দেখ, অনন্তকাল ঝিঁ ঝিঁ পোকার মতো
আমরা কথা বলছি
অথচ কোন কথাই শেষ হলো না এখনও।
একটা লাল গোলাপের কান্নার গল্পো
শোনাবে বলেছিলে
কবে বলবে ?
-চলো উঠি । বড্ডো গরম এখানে ।
-দেখ,অনন্তকাল শুকনো বাশপাতার মতো
আমরা ঘুরছি
অথচ কেউ কাউকে ছুঁতে পারলুম না এখনো ।
একটা কালো হরিণকে কোজাগরী উপহার
দেওয়ার কথা ছিল
কবে দেবে ?
-চলো উঠি । বড্ড ঝড়-ঝাপটা এখানে ।
Related Articles
যেতে চাইলে যাও
যেতে চাইলে যাও।। কী করে ধরে রাখি তোমায় বিনি সুতোর বাঁধনে? সীমানার ওপার অমোঘ নির্দেশে নির্বাণ কী করে থামাবে বলো অবশ্যম্ভাবী প্রস্থান? নশ্বর পৃথিবীর চিহ্ন তুড়ি মেরে নিশ্চিন্হ যদি করে দিতে চায় ঈশ্বর, কী করে ঠেকাবে বলো? মনস্তাপ পুড়াবে অহর্নিশি বিবর্ণ অালোর ছাপ কালো নিয়তির অতল গহ্বর । – নিলয় ১৬/১০/১৬
আমরা তো অল্পে খুশি
আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দুঃখ করে?আমাদের দিন চলে যায়সাধারণ ভাতকাপড়ে। চলে যায় দিন আমাদেরঅসুখে ধারদেনাতেরাত্তিরে দুভায়ে মিলেটান দিই গঞ্জিকাতে। সবদিন হয়না বাজার,হলে হয় মাত্রাছাড়া –বাড়িতে ফেরার পথেকিনে আনি গোলাপচারা। কিন্তু পুঁতব কোথায়?ফুল কি হবেই তাতে?সে অনেক পরের কথাটান দিই গঞ্জিকাতে। আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দু : খ করে?আমাদের দিন চলে যায়সাধারণ ভাতকাপড়ে। মাঝে […]
প্রেম
৪ঠা অক্টোবর তাদের দুজনের প্রথম দেখা হল। তখন বিকেল ঘনিয়ে আসছে। বাতাসে শীতের আমেজ। ১০ই অক্টোবর তাদের দীর্ঘক্ষণ কথা হল টেলিফোনে। সেদিন ছেলেটি নতুন কেনা টব’এ গোলাপের চারা লাগাল। ৩০শে অক্টোবর রেস্টুরেন্টের নিরালা কেবিনে ছেলেটি বলল— তোমাকে আমি ভালবাসি। মেয়েটি লজ্জায় মাথা নিচু করে টেবিলে আঁকিবুকি কাটল। ১২ই ডিসেম্বর গোলাপগাছে কুঁড়ি ধরল। মেয়েটি রেস্টুরেন্টে ছেলেটিকে […]

