-দেখ, অনন্তকাল ঝিঁ ঝিঁ পোকার মতো
আমরা কথা বলছি
অথচ কোন কথাই শেষ হলো না এখনও।
একটা লাল গোলাপের কান্নার গল্পো
শোনাবে বলেছিলে
কবে বলবে ?
-চলো উঠি । বড্ডো গরম এখানে ।
-দেখ,অনন্তকাল শুকনো বাশপাতার মতো
আমরা ঘুরছি
অথচ কেউ কাউকে ছুঁতে পারলুম না এখনো ।
একটা কালো হরিণকে কোজাগরী উপহার
দেওয়ার কথা ছিল
কবে দেবে ?
-চলো উঠি । বড্ড ঝড়-ঝাপটা এখানে ।
Related Articles
আধখানা মুখ
আধখানা মুখ বাইরে রেখো, আধখানা মুখ অন্ধকারে, দূর থেকে যেন সবাই তোমায় দেখতে পারে। ঘুম যদি পায় রাত্রিবেলা, শীতের জটিল অন্ধকারে, জ্বেলে নিয়ো তাপ উড়কি পাতায়, শুকনো খড়ে। দূর থেকে তাপ দেখতে পাব, আগুনের জ্বালা অন্ধকারে, হঠাৎ পথে কী দস্যুতা রে! কেড়ে নিয়ে যায় ঝরনার মতো ছুটে চলে যায় অন্ধকারে নিয়ে যায় সব অস্থি-মজ্জা-মাংস কেড়ে। […]
সেই সবও তুমি
তোমাকেই দৃশ্য মনে হয়। তোমার ভিতরে সব দৃশ্য ঢুকে গেছে। কাচের আলমারি যেন, থাকে থাকে, পরতে পরতে শরতের, হেমন্তের, বসন্তের শাড়ি গয়না দুল, নদীর নবীন বাঁকা, বৃষ্টির নুপুর, জল, জলদ উদ্ভিদ। সাঁচীস্তুপে, কোনারকে যায় যারা, গিয়ে ফিরে আসে দুধ জ্বাল দিয়ে দিয়ে ক্ষীর করা স্বাদ জিভে নিয়ে তোমার ভিতরে সেই ভাস্কর্যেরও লাবণ্য রয়েছে। কোন্খানে আছে? […]
চৈতী হাওয়া
হারিয়ে গেছ অন্ধকারে-পাইনি খুঁজে আর, আজ্কে তোমার আমার মাঝে সপ্ত পারাবার! আজ্কে তোমার জন্মদিন- স্মরণ-বেলায় নিদ্রাহীন হাত্ড়ে ফিরি হারিয়ে-যাওয়ার অকূল অন্ধকার! এই -সে হেথাই হারিয়ে গেছে কুড়িয়ে-পাওয়া হার! শূন্য ছিল নিতল দীঘির শীতল কালো জল, কেন তুমি ফুটলে সেথা ব্যথার নীলোৎপল? আঁধার দীঘির রাঙলে মুখ, নিটোল ঢেউ-এর ভাঙলে বুক,- কোন্ পূজারী নিল ছিঁড়ে? ছিন্ন তোমার […]

