জোছনায় হাঁটতে হাঁটতে
যখন বহুদূর পেরিয়ে এসেছি
কাঁধের ওপর হাত রাখলেন জীবনানন্দ,
সামনের শস্যক্ষেত দেখিয়ে বললেন,
নিড়ানি দাও,
সন্তান হবে, না হয় শস্য হবে।
আমি বললাম, চাবিটা দিন
এ শস্যক্ষেতে প্রবেশ করতে চাবি লাগে,
হেমন্তের হিমমাখা চাবিটা তিনি
চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন আমার সামনেই,
পকেট থেকে রুমাল বের করে
তার গিঁট থেকে খুলে দিলেন
বনলতার প্রেম।
বললেন, সব হয়, প্রেম ছাড়া কবিতা হয় না
Related Articles
তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা
ভয় নেই আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে মার্চপাস্ট করে চলে যাবে এবং স্যালুট করবে কেবল তোমাকে প্রিয়তমা। ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো বন-বাদাড় ডিঙ্গিয়ে কাঁটা-তার, ব্যারিকেড পার হয়ে, অনেক রণাঙ্গনের স্মৃতি নিয়ে আর্মার্ড-কারগুলো এসে দাঁড়াবে ভায়োলিন বোঝাই করে কেবল তোমার দোরগোড়ায় প্রিয়তমা। ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা করবো- বি-৫২ […]
অনর্থক নয়
বেয়ারা পাঠিয়ে কারা টাকা তোলে ব্যঙ্ক থেকে? আমি তো নিজের সইটা এখনো চিনি না বিষম টাকার অভাব!নেই। শুধু হৃৎপিন্ড হাওয়া টেনে নেয়ে হাসি কুলকুচো করি। মাথায় মুকুট নেই বলে কেউ ধার দিতেও চায় না। কিছু টাকা জমা আছে ব্লাড ব্যাঙ্কে। সামান্য। কাঁটা ছাড়ানো মাছের মতন গদ্য লিখলে ক্যাশ আসে। পারি না। কবিতায় দশ টাকা তাই […]
পথ যদি
বিষয়টি আপাতত বিবেচনাধীন জানাবো সময় হলে। অপেক্ষায় থাকতে থাকতে একুশ গিয়ে, তেইশ পেরিয়ে, দিনগুলো যখন চব্বিশের সীমান্ত হারিয়ে পঁচিশের পথে, তখনো হলো না জানা বিবেচনাধীন নথিটির ছাড়পত্র আদৌ পাওয়া যাবে কি না। নিশ্চুপ, কিছু না জানিয়ে দেখিয়ে দিলেন পথ। পথ যদি কিছু বলে, নিশ্চয়ই আমাকে জানাবে বাতাস।
