জোছনায় হাঁটতে হাঁটতে
যখন বহুদূর পেরিয়ে এসেছি
কাঁধের ওপর হাত রাখলেন জীবনানন্দ,
সামনের শস্যক্ষেত দেখিয়ে বললেন,
নিড়ানি দাও,
সন্তান হবে, না হয় শস্য হবে।
আমি বললাম, চাবিটা দিন
এ শস্যক্ষেতে প্রবেশ করতে চাবি লাগে,
হেমন্তের হিমমাখা চাবিটা তিনি
চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন আমার সামনেই,
পকেট থেকে রুমাল বের করে
তার গিঁট থেকে খুলে দিলেন
বনলতার প্রেম।
বললেন, সব হয়, প্রেম ছাড়া কবিতা হয় না
Related Articles
এই জীবন
এই একরত্তি জীবনে বলো না কীভাবে সম্ভব ভালোবাসা তার জন্য চাই আরো দীর্ঘ অনন্ত জীবন, ভালোবাসা কীভাবে সম্ভব, অতিশয় ছোটো এ জীবন একবার প্রিয় সম্বোধন করার আগেই শেষ হয় এই স্বল্প আয়ু- হয়তো একটি পরিপূর্ণ চুম্বনেরও সময় মেলে না করস্পর্শ করার আগেই নামে বিচ্ছেদের কালো যবনিকা; এতো ছোটো সামান্য জীবনের কীভাবে হবেই ভালোবাসা ভালোবাসি কথাটি […]
চন্দনকাঠের বোতাম
যেমন উপত্যকা থেকে ফিরে এসেছি বহুবার, পাহাড়ের চূড়ায় ওঠা হয়নি যেমন হাত অঞ্জলিবদ্ধ করেছি বহুবার, কখনো পার্থনা জানাইনি যেমন নারীর কাছে মৃত্যুকে সমর্পণ করেছিলাম মৃত্যুর কাছে নারীকে যেমন বৃক্ষের কাছে জল্লাদের মতন গিয়েছি কুঠার হাতে উপকথার কাঠুরেকে করেছি উপহাস যেমন মানুষের কাছে আমিও মানুষ সেজে থাকতে চেয়েছিলাম কৃতজ্ঞতার বদলে ফিরিয়ে নিয়েছি মুখ যেমন স্বপ্নের মধ্যে […]
আমি থাকবো তোমার অপেক্ষায়…
আজ আমি যাব সেখানে, দিগন্তের শেষ সীমান্তে, অস্তমিত রবির শেষ আভা ছোঁয়াবে যেখানে ঠিক সেখানে, আমি থাকবো তোমার অপেক্ষায়। গোধূলির লাল টিপ কপালে পড়ে, কুয়াশার সাদা চাঁদর গায়ে জড়িয়ে, বাতাসের দুরন্তপনার কাজল দৃষ্টির তেপান্তরে এঁকে, আমি থাকবো তোমার অপেক্ষায়। গুচ্ছ পাতার মত বুনন করে কথামালা উপহার দেব বলে, সন্ধ্যা প্রদীপের আলোর মত, মিষ্টি আলো তোমার […]
