ভীষণ ক্ষুধার্ত, ভীষণ তৃষিত।
দিন যায় অনাহারে। অক্ষর বর্জিত
জ্বলন্ত সময়। ব্রাত্য মানুষের গল্প
কে লেখে?_ যেটুকু লেখা হয় অতীব সামান্য, অল্প
নিকট স্মৃতির মধ্যে জেগে আছে একটি ঘটনা। বাকি সব গৌণ।
মাতৃভাষায় যে শব্দ কাম, তথা যৌন
উথালপাতাল হলো বৃষ্টির সন্ধ্যায়।
মেঘের গর্জন। জলের নষ্টামি। বারান্দায়।
নস্টালজিয়ার নিম্নচাপ-উচ্চচাপ আছে। ভাবানুষঙ্গে হঠাৎ
জড়ো হলে বেড়ে যায় প্রবণতাময় সন্ধ্যা, রাত
Related Articles
যেতে যেতে
তারপর যে-তে যে-তে যে-তে এক নদীর সঙ্গে দেখা। পায়ে তার ঘুঙুর বাঁধা পরনে উড়ু-উড়ু ঢেউয়ের নীল ঘাগরা। সে নদীর দুদিকে দুটো মুখ। এক মুখে সে আমাকে আসছি বলে দাঁড় করিয়ে রেখে অন্য মুখে ছুটতে ছুটতে চলে গেল। আর যেতে যেতে বুঝিয়ে দিল আমি অমনি করে আসি অমনি করে যাই। বুঝিয়ে দিল আমি থেকেও নেই, না […]
এক জন্ম
অনেকদিন দেখা হবে না তারপর একদিন দেখা হবে। দু’জনেই দু’জনকে বলবো, ‘অনেকদিন দেখা হয়নি’। এইভাবে যাবে দিনের পর দিন বৎসরের পর বৎসর। তারপর একদিন হয়ত জানা যাবে বা হয়ত জানা যাবে না, যে তোমার সঙ্গে আমার আর দেখা হবে না।
সেই মাধবীর কণ্ঠস্বর
‘প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে, মনেও রাখবে না….. আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম –কেন আমি সংসারী না হয়ে খুব রাগ করে হয়েছি সন্ন্যাসী হয়েছি হিরণ দাহ, হয়েছি বিজন ব্যথা, হয়েছি আগুন ! আমি এ আঁধার স্পর্শ করে কেন তাকে বলেছি হৃদয়, তৃষ্ণায় তাড়িত তবু কেন তাকে বলেছি ভিক্ষুক আমি এ জলের পাত্রে জল চাই না, বিষ […]

