রঙীন রুমালে চোখ দুটো বাঁধা
নিজের সঙ্গে নিজের অষ্টপ্রহর- কানামাছি খেলা
ভারী চমৎকার ধাঁধা।
যাকে ছোঁবার তাকে না ছুঁয়ে
আকাশ ধরতে হাত বাড়িয়ে আমি ধুলো মাটির ভূয়ে।
হাত বাড়ালে হাতে জলের বদলে শামুক
অথচ ভেতরটা পরাগসুদ্ধ ফুলের জন্যে আপাদমস্তক কামুক।
সিদুর রঙের কিছু দেখলেই মন উসখুস, ইচ্ছেয় আগুন
বিশ্বাসের বাকলে সত্যিই এল ফাল্গুন?
কাছে যাই, কাছে গেলেই সব অদলবদল, যথেচ্ছাচার কান্ড
রক্তপাতের শব্দে শিউরে ওঠে গাছপালা নদীনালাময় দেশ
চেনা ব্রক্ষ্মণ্ড।
তবু তো ছুতে হবে কিছু, কাউকে-না কাউকে
পুকুরপাড়ের নিমগাছ কি সাগরপারের ঝাউকে।
পা নিয়েই সমস্যা, কোথায় রাখি, হয় পাঁক
নয় অনিশ্চিতের বালি
ভিক্ষের ঝুলিটা তবু যা হোক ভরছে নানারকম ভালো এবং মন্দে
সমৃদ্ধ কাঙালী।
মনে হচ্ছে কোথাও নেই
অথচ আমার চেয়ার টেবিলে আমি ঠিকই আছি
রঙীন রুমালে চোখ দুটো বাঁধা
নিজের সঙ্গে পাওয়া না-পাওয়ার কানামাছি।
Related Articles
গুলি চলছে
গুলি চলছে, গুলি চলছে, গুলি চলবে — এই না হলে শাসন? ভাত চাইতে গুলি, মিছিল করলে গুলি, বাংলা বন্ ধ গুলির মুখে উড়িয়ে দেওয়া চাই | দেশের মানুষ না খেয়ে দেয় ট্যাক্স, গুলি কিনতে, পুলিশ ভাড়া করতে, গুণ্ডা পুষতে ফুরিয়ে যায় তাই | একেই বলে গণতন্ত্র ; এরই জন্য কবিতার সর্দার সাহিত্যের মোড়লরা কেঁদে ভাসান […]
"অশ্রুপার্বণ"….কাজী নাসির মামুন'র দীর্ঘ কবিতা…
//অশ্রুপার্বণ// আয়ুর আকাশে চিরদিন একটি দীঘল কালো মেঘ ………….অনন্ত উপেক্ষা নিয়ে জীবনকে পরিহাস করে; তবু ভালো লাগে শালিখ পাখির আলাপচারিতা, ভালো লাগে ……………..বিহঙ্গ মর্মর । কখনো তাদের বিদীর্ণ সংলাপ, ক্রোত্ ক্রোত্ ভালোবাসা দেখে আমি যে শিখতে পাই আমার অন্তিম পলায়ন বিদ্যা ! মৃত্যু প্রহেলিকার ডুমুর গাছ কীভাবে চিনতে হয় ………………………………ফুলের অস্তিত্ব ছাড়া সেইটুকু […]
না থাকা
একটি ভীষণ না-থাকাকে সঙ্গে নিয়ে আমি প্রতি রাত্তিরে ঘুমোতে যাই; ঘুমোই, ঘুম থেকে উঠি, কলঘরে যাই — না-থাকাটি সঙ্গে থাকে। দিনের হই চই শুরু হয়ে যায় দিনের শুরুতেই, একশ একটা লোকের সঙ্গে ওঠাবসা– এই কর সেই করর দৌড়োদৌড়ি– লেখালেখি– এ কাগজ পাচ্ছি তো ও কাগজ গেল কই! হাটবাজার, খাওয়াখাদ্যি, সব কিছুর মধ্যে ওই না-থাকাটি থাকে। […]


