একজন দীর্ঘ লোক সামনে থেকে চলে গেলো দূরে —
দিগন্তের দিকে মুখ, পিছনে প্রসিদ্ধ বটচ্ছায়া
কে জানে কোথায় যাবে— কোথা থেকে এসেছে দৈবাৎ-ই
এসেছে বলেই গেলো, না এলে যেতো না দূরে আজ।
সমস্ত মানুষ, শুধু আসে বলে, যেতে চায় ফিরে।
মানুষের মধ্যে আলো, মানুষেরই ভূমধ্য তিমিরে
লুকোতে চেয়েছে বলে আরো দীপ্যমান হয়ে ওঠে —
আশা দেয়, ভাষা দেয়, অধিকন্তু, স্বপ্ন দেয় ঘোর।
যে যায় সে দীর্ঘ যায়, থাকা মানে সীমাবদ্ধ থাকা।
একটা উদাত্ত মাঠে, শিকড়ে কি বসেছে মানুষ-ই?
তখন নিশ্চিতই একা, তার থাকা—তার বর্তমানে,
স্বপ্নহীন, ঘুমহীন— ধূলা ধূম তাকে নাহি টানে।
একজন দীর্ঘলোক সামনে থেকে চলে গেলো দূরে —
এভাবেই যেতে হয়, যেতে পারে মানুষ, মহিষ!
Related Articles
জিজ্ঞাসা
ভালবাসা আর সমর্পণ জীবনেরই দর্পণ , তবু কেন এই শূন্যতা — সেই অপূর্ণ থেকে যাওয়া ? বুকের ভেতর থেকে যাওয়া সেই অশেষ যন্ত্রণা — মুখ ফুটে যা যায়না বলা !! সংগীতের সুর তালে ছিল বাঁধা তোমার আর আমার ভালবাসার বীণা — ছিল যে ভাবনার আবেশে ভরা প্রেমের চন্দ্র-সূর্য-তারা– কেন হলো না সে স্বপ্ন পূরণ কেন থেকে গেল শুধুই মরণ কেন গাওয়া […]
আমার পরিচয়
আমি জন্মেছি বাংলায় আমি বাংলায় কথা বলি। আমি বাংলার আলপথ দিয়ে, হাজার বছর চলি। চলি পলিমাটি কোমলে আমার চলার চিহ্ন ফেলে। তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে ? আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে আমি তো এসেছি সওদাগরের ডিঙার বহর থেকে। আমি তো এসেছি কৈবর্তের বিদ্রোহী গ্রাম থেকে আমি তো এসেছি পালযুগ নামে […]
তোমার জন্মভূমি
তোমাদের শুরু আমার তো হায় সন্ধ্যাবেলা পার হয়ে আসি উদয়ের কত রোদের খেলা গোধূলির ধূলি আকাশে উড়ছে, আমি একেলা এই তো শেষের সন্ধ্যাকালের আলোর খেলা। মুখের উপর ছায়া নেমে আসে মায়ার ঝিলিক ঘরে ফিরে বুঝি নৃত্য করে! অস্ত-সূর্য ডাক দেয় কারে ওই তো নামছে ধূসর সন্ধ্যা শেষের বেলা নামটি ধরে। পার হয়ে যাই হাঁটতে হাঁটতে […]

