একজন দীর্ঘ লোক সামনে থেকে চলে গেলো দূরে —
দিগন্তের দিকে মুখ, পিছনে প্রসিদ্ধ বটচ্ছায়া
কে জানে কোথায় যাবে— কোথা থেকে এসেছে দৈবাৎ-ই
এসেছে বলেই গেলো, না এলে যেতো না দূরে আজ।
সমস্ত মানুষ, শুধু আসে বলে, যেতে চায় ফিরে।
মানুষের মধ্যে আলো, মানুষেরই ভূমধ্য তিমিরে
লুকোতে চেয়েছে বলে আরো দীপ্যমান হয়ে ওঠে —
আশা দেয়, ভাষা দেয়, অধিকন্তু, স্বপ্ন দেয় ঘোর।
যে যায় সে দীর্ঘ যায়, থাকা মানে সীমাবদ্ধ থাকা।
একটা উদাত্ত মাঠে, শিকড়ে কি বসেছে মানুষ-ই?
তখন নিশ্চিতই একা, তার থাকা—তার বর্তমানে,
স্বপ্নহীন, ঘুমহীন— ধূলা ধূম তাকে নাহি টানে।
একজন দীর্ঘলোক সামনে থেকে চলে গেলো দূরে —
এভাবেই যেতে হয়, যেতে পারে মানুষ, মহিষ!
Related Articles
নিঝুম রাত্রি
নিঝুম রাত্রি… ঘুমিয়ে গেছো কি প্রিয়সি ? নাকি আমার মত চাঁদের আলোয় কাটাও নিশি ? এখনো কি তোমার দীঘলে জোনাকি ঠাই খোঁজে- না আমার মত চন্দ্রাহত, ব্যথিত অহরাত্রি ? যদি নির্ঘুম রাত কেটে যায় তোমারও তবে জানার বাইরে একটু তাকিয়ে দেখো- ঘুমাওনি বলে তারাগুলো আজ রাতপ্রহরী এখনো দুরের ল্যাম্পপোস্টের আলো টিমটিমিয়ে জ্বলছে; এক তোমার জন্য […]
কথোপকথন-১৩
‘-তোমার মধ্যে অনন্তকাল বসবাসের ইচ্ছে তোমার মধ্যেই জমিজমা ঘরবাড়ি, আপাতত একতলা হাসছো কেন? বলো হাসছো কেন? -একতলা আমার একবিন্দু পছন্দ নয়। সকাল সন্ধে চাঁদের সঙ্গে গপ্পো গুজব হবে তেমন উঁচু না হলে আবার বাড়ি নাকি? -আচ্ছা তাই হবে। চাঁদের গা ছুঁয়ে বাড়ি, রহস্য উপন্যাসের মত ঘোরানো প্যাঁচানো সিঁড়ি…’
প্রার্থনালয় -কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
ছেলেবেলায় আমি যেখানে খেলতাম তিরিশ বছর পর গিয়ে দেখি সেখানে একটি মসজিদ উঠেছে। আমি জানতে চাই ছেলেরা এখন খেলে কোথায়? তারা বলে ছেলেরা এখন খেলে না, মসজিদে পাঁচবেলা নামাজ পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বুড়িগঙ্গার ধারে বেড়াতে গিয়ে যেখানে একঘন্টা পরস্পরের দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে ছিলাম আমি আর মরিয়ম, গিয়ে দেখি সৌদি সাহায্যে সেখানে একটা লাল ইটের […]

