দুদিনেই সাঙ্গ হয়ে গেল সহস্র বছর, এতো স্বাদ এতো কথা
কাঁদছে মুহূর্তগুলি কাকে বলি একটু দাঁড়াও;
বৃথা এ প্রার্থনা, জীবন নিষ্ঠুর বড়ো অপেক্ষা জানে না
তবু তারই কাছে হাত পেতে আছি, তারই কাছে নত।
সব মোম ক্ষীণ হয়ে যেতে যেতে কাঁপে
শুধু শিখা
গুনে গুনে দেখি এই পুরনো পালক ঝরাপাতা
সমস্ত কথার ভার তুলে নিচ্ছি, আর দুঃখ নয়
পাথরের দীর্ঘ শ্বাসে ভারী হয়ে ছিলো, সারা বন
এবার তা হলে হোক ঝুম বর্ষা, চৈত্রে শ্রাবণ।
Related Articles
নদী
রাইসর্ষের খেত সকালে উজ্জ্বল হলো- দুপুরে বিবর্ণ হ’য়ে গেল তারি পাশে নদী; নদী, তুমি কোন কথা কও? অশথের ডালাপালা তোমার বুকের ‘পরে পড়েছে যে, জামের ছায়ায় তুমি নীল হ’লে. আরো দুরে চলে যাই সেই শব্দ সেই শব্দ পিছে-পিছে আসে; নদী না কি? নদী, তুমি কোন কথা কও? তুমি যেন আমার ছোট মেয়ে- আমার সে ছোটো […]
ইষ্টজন
মেঘ ছাপানো শ্যামল জলের কাজল বিন্দু বলে তোর পায়ের দোলায় ছলাত ছলাত মৃদঙ্গে তাল তোলে। ছেঁড়া বাদল তুলো ওড়ে নীল ক্যানভাস জুড়ে তোর এলোচুলের গহন গোঁড়ায় কালবোশেখি দোলে। প্রান্তে মেলা নকশিকাঁথায় ভাদু রানীর গল্প গাঁথায় তোর গভীর দুচোখ পটে আঁকা স্বপ্নকলি ছড়ায়। রেশম গোলাপ ঠোঁটে মধু ফাউন্টেন ছোটে তোর পালিশ করা হীরক হাসি খাঁচার পাখি […]
যে শরতে ইলিশের বান
ভাদ্র এলো আশ্বিন এলো অথচ শরৎ এলো না, কাশফুল ফুটলো চরে চরে, অথচ বর্ষণ গেলো না; যেহেতু দরজায় এসে গজরাতে থাকলো কামিনী দামিনী, যেহেতু ভয়ে ভয়ে এই বুকে সেঁধিয়ে গেলে তুমিও অশণি, তা-নাহলে এই নাতিউষ্ণে কে আর জলাঞ্জলি দেয় বলো অমন তুলতুলে ঠোঁট, সিগ্রেটের জ্বলজ্বলে হলাহলও যার কাছে তুচ্ছ ঠেকে চুমুকে চুমুকে; তুমি খুব রোদে […]

