দুদিনেই সাঙ্গ হয়ে গেল সহস্র বছর, এতো স্বাদ এতো কথা
কাঁদছে মুহূর্তগুলি কাকে বলি একটু দাঁড়াও;
বৃথা এ প্রার্থনা, জীবন নিষ্ঠুর বড়ো অপেক্ষা জানে না
তবু তারই কাছে হাত পেতে আছি, তারই কাছে নত।
সব মোম ক্ষীণ হয়ে যেতে যেতে কাঁপে
শুধু শিখা
গুনে গুনে দেখি এই পুরনো পালক ঝরাপাতা
সমস্ত কথার ভার তুলে নিচ্ছি, আর দুঃখ নয়
পাথরের দীর্ঘ শ্বাসে ভারী হয়ে ছিলো, সারা বন
এবার তা হলে হোক ঝুম বর্ষা, চৈত্রে শ্রাবণ।
Related Articles
হায় চিল, সোনালী ডানার চিল,
হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে তুমি আর কেঁদো নাকো উড়ে-উড়ে ধানসিঁড়ি নদীটির পাশে! তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে! পৃথিবীর রাঙা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে; আবার তাহারে কেন ডেকে আনো? কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে! হায় চিল, সোনালী ডানার […]
আমার পহেলা বৈশাখ
ঠিক সূর্যোদয়ের মুহূর্তে রমনা বটমূলে তোমাকে দেখে আমার মনে হলো, একটা পাখি ভুল করে এসে বসেছে ভোরের প্রচ্ছদে, জলরং ছবিটা প্যাস্টেলে হলে ভালো হতো, ইলিশের কারবারি ভুল করে দোকান খুলেছে মলাটের শিরোনামে। তোমার তো এখন পাঁচতলার বন্ধ জানালা খুলে শোনার কথা ছিলো বুড়োটার গান, কালো শার্সির ওপাশে শীতল রোদ তোমার শরীর থেকে খুলে রাখতো রাতের […]
আমি কেবলি স্বপন করেছি বপন
আমি কেবলি স্বপন করেছি বপন বাতাসে— তাই আকাশকুসুম করিনু চয়ন হতাশে। ছায়ার মতন মিলায় ধরণী, কূল নাহি পায় আশার তরণী, মানসপ্রতিমা ভাসিয়া বেড়ায় আকাশে। কিছু বাঁধা পড়িল না শুধু এ বাসনা- বাঁধনে। কেহ নাহি দিল ধরা শুধু এ সুদূর সাধনে। আপনার মনে বসিয়া একেলা অনলশিখায় কী করিনু খেলা, দিনশেষে দেখি ছাই হল সব হুতাশে। আমি […]

