সন্ধ্যারাতে চতুর্দিকে চেঁচিয়ে মরে ফেউ।
মরুক। তোর কাজে
বিঘœ কেন ঘটবে, তোর হাতের কলম কেউ
কাড়তে পারবে না যে।
দৃশ্য বটে পালটে যায়, রাত্রি হয় ঘোর।
তখনও ফেউ ডাকে।
ডাকুক, ডেকে মরুক। তাতে ভাবনা নেই, তোর
কলম যদি থাকে।
ঘরের মধ্যে একলা তুই, বাহিরে ঘুরে যায়
আতঙ্কের ঢেউ;
এদিকে দেখি টেবিলে আলো। ওদিকে শুনি ঠায়
চেঁচিয়ে মরে ফেউ।
Related Articles
জোছনাবাড়ি
আকাশ কাটে মেঘের সুতো নীল জলে তার স্বপ্ন ভাসে নৌকো হয়ে, পাল তুলে দেয় অবুঝ মাঝি, কাশবনে ফুল তাঁতের শাড়ি, মন যেতে চায় জোছনাবাড়ি। কেন নেবে নাও ছিন্ন হাসি পরবাসী মনটা কাঁদে ঘরের ছাদে, হিম কুয়াশার অন্ধকারে একা একা স্বপ্ন দেখি, দুঃখবোধের লাগাম থেকে বেরিয়ে আসে সাপের ফণা, তন্দ্রা হরিণ ঘুমিয়ে থাকে গোলপাতাতে লেপ্টে থাকে […]
যোগসূত্র
তোমার ভেতরে আগুন আমি জেনেছি তোমার ভেতরে সাগর আমি জেনেছি তোমার ভেতরে শূন্যতা আমি জেনেছি তোমার ভেতরে মৌনতা আমি জেনেছি তোমার ভেতরে আকাশ আমি জেনেছি তোমার ভেতরে জমিন আমি জেনেছি তোমার ভেতরে ক্ষমতা আমি জেনেছি তোমার ভেতরে মমতা আমি জেনেছি। তোমার ভেতরে বছর নিয়েছি লীজ তোমার ভেতরে বপন করেছি বীজ।
বসন্ত বন্দনা
হয়তো ফুটেনি ফুল রবীন্দ্রসঙ্গীতে যত আছে, হয়তো গাহেনি পাখি অন্তর উদাস করা সুরে বনের কুসুমগুলি ঘিরে। আকাশে মেলিয়া আঁখি তবুও ফুটেছে জবা,—দূরন্ত শিমুল গাছে গাছে, তার তলে ভালোবেসে বসে আছে বসন্ত পথিক। এলিয়ে পড়েছে হাওয়া, ত্বকে কী চঞ্চল শিহরন, মন যেন দুপুরের ঘূর্ণি-পাওয়া পাতা, ভালোবেসে অনন্ত সঙ্গীত স্রোতে পাক খেয়ে, মৃত্তিকার বুকে নিমজ্জিত হতে চায়। […]

