আবার ভালবাসার সাধ জাগে
সেই পুরাতন চাঁদ,
আমার চোখে আজ নূতন লাগে ।
যে ফুল দলিয়াছি নিঠুর পায়ে
সাধ যায় ধরি তারে বক্ষে জড়ায়ে
উদাসীন হিয়া হায় রেঙে ওঠে অবেলায়
সোনার গোধুলি রাগে ।
আবার ফাগুন সমীর কেন বহে ?
আমার ভুবন ভরি কেঁদে ওঠে বাঁশরী অসীম বিরহে ।
তব বনের বুকে ঝরণা সম
কে এলে সহসা হে প্রিয়তম
মধুরের গোকুল সহসা রাঙাইলে
রাসের কুমকুম ফাগে ।
Related Articles
আঁচল
তোমার পানে তাকিয়ে আছি ব্যাকুল হৃদয়ে – তুমি অভিমানের আঁচলে প্রেম ঢাকবে কী দিয়ে? যত দুখ আমি দিয়েছি তোমায় নিরবে সয়েছো তুমি যে আমায়, অন্ধ আমার বন্ধ দুচোখ খুলে দিলে তুমি অশ্রুর সেঁজ জ্বালিয়ে – তুমি অভিমানের আঁচলে প্রেম ঢাকবে কী দিয়ে? দূরে ঠেলে দেবে ভেবে যদি বধূ অভিমান করে থাকো নিশ্চুপ, আপনার মনে একাকী […]
ও যে মানে না মানা
ও যে মানে না মানা। আঁখি ফিরাইলে বলে, ‘না, না, না।’ যত বলি ‘নাই রাতি– মলিন হয়েছে বাতি’ মুখপানে চেয়ে বলে, ‘না, না, না।’ বিধুর বিকল হয়ে খেপা পবনে ফাগুন করিছে হাহা ফুলের বনে। আমি যত বলি ‘তবে এবার যে যেতে হবে’ দুয়ারে দাঁড়ায়ে বলে, ‘না, না, না।’ রাগ: ভৈরবী তাল: দাদরা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1316 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1909 স্বরলিপিকার: সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় […]
আর কত দূরে আছে সে আনন্দধাম
আর কত দূরে আছে সে আনন্দধাম। আমি শ্রান্ত, আমি অন্ধ, আমি পথ নাহি জানি ॥ রবি যায় অস্তাচলে আঁধারে ঢাকে ধরণী– করো কৃপা অনাথে হে বিশ্বজনজননী ॥ অতৃপ্ত বাসনা লাগি ফিরিয়াছি পথে পথে– বৃথা খেলা, বৃথা মেলা, বৃথা বেলা গেল বহে। আজি সন্ধ্যাসমীরণে লহো শান্তিনিকেতনে, স্নেহকরপরশনে চিরশান্তি দেহো আনি ॥

