দৃশ্যপট চিরস্থির। তবু কেউ নড়ে ওঠে গাছে
শিরায় সন্ধিতে তার দীর্ঘশ্বাস, বাতাসে লবণ
রক্তের গতির মধ্যে যেন তার বার্তা লেগে আছে
মজ্জায় কি গলে যাও হে অদৃশ্য, হলুদ দ্রবণ?
বস্তুর আস্বাদ চোখ লোলজিহ্বা বিস্বাদে মিলন
বিবর্ণ বাতাসে তাই লালা ঝরে অদ্ভুত ক্ষুধার
এদিকে আয়ুতে বেঁধে কৃপণের কয়েকটি দিন_
অপব্যয়ে ভরে গিয়ে আজ বলি তোমার সুধার
অদম্য স্পর্শের লোভ অন্তত কি থাকবে কোনোখানে,
যেখানে আত্মার পাখি একদিন থামাবে উড়াল?
তোমার ছায়ার নিচে অনিঃশেষ গন্ধের বাগানে
থাকবে একটি মেওয়া অপার্থিব, ভয়ানক লাল?
আমার অসুস্থ জিভ চেটে নিক তোমার পৃথিবী :
সমুদ্র পর্বত বৃক্ষ একসাথে খুলে দিলো _ নীবি।
Related Articles
আমার কুঁড়েঘরে
আমার কুঁড়েঘরে নেমেছে শীতকাল তুষার জ’মে আছে ঘরের মেঝে জুড়ে বরফ প’ড়ে আছে গভীর ঘন হয়ে পাশের নদী ভ’রে বরফ ঠেলে আর তুষার ভেঙে আর দু-ঠোঁটে রোদ নিয়ে আমার কুঁড়েঘরে এ-ঘন শীতে কেউ আসুক আমার গ্রহ জুড়ে বিশাল মরুভূমি সবুজ পাতা নেই সোনালি লতা নেই শিশির কণা নেই ঘাসের শিখা নেই জলের রেখা নেই আমার […]
এক যাতনায় দুজনেই ব্যাথী
এক যাতনায় দুজনেই ব্যাথী আমি দেবদাস তুমি পার্বতী। কি ব্যথা জানি না বুকে বাজে, তাই রোদে জলে ভিজে খুঁজি আশ্রয় কোথায় আবাস, তুমি পার্বতী আমি দেবদাস। ঘুরি একা একা আমি গলিত শহরে, কেউ সুখে থাকে এঘরে ওঘরে। কেউ ভালবেসে চিরকাল দুঃখী কেউ দেবদাস ভবঘুরে সুখী! এক যাতনায় দুজনেই ব্যাথী আমি দেবদাস তুমি পার্বতী
বোবা মেয়েটিকে
তোমার পৃথিবী নিঃশব্দচারী রাতের করতল দেখে, শব্দহীন একা তুমি। নিঃশব্দে ভেসে যাও আলোকিত স্বপ্নের বেহুলা ভেলায়। আর অন্ধকার তোমার শব্দহীনতায় হাসে, যেন কংস প্রতিবাদহীন পজার সম্মুখে, তুমি পার না থামাতে তার হাসি, পার না দিতে নিস্তব্ধতার বধির প্রান্তরে কোন অখিল সীমানা। তোমার নিস্তব্ধতা ক্রমশ বিস্তারিত হচ্ছে আলো থেকে অন্ধকারে অস্তিত্ব থেকে অস্তিত্ব ভাঙনের ঢলে, তুমি […]

