কতো যে করেছে মেঘ মাথার ভিতর,
কতো বৃষ্টি ঝড়,
পাগল বাতাস সমস্ত নদীর ঢেউ,
সমস্ত বনের দীর্ঘশ্বাস
আমি এই নির্বাক বৃক্ষের কান্না মন দিয়ে রেকর্ড করেছি।
বুঝিনি সেখানে কতো অন্ধকার,
কতো তৃষ্ণা কতো এক্সপ্রেস ট্রেনের শব্দ কতো নিঝুম রাত্রির গান,
মৃত নক্ষত্রের করুণ কোরাম,
পূর্ব পুরুষদের এই অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠ করতে করতে আমি ক্লান্ত।
মাথার ভিতরে এই মেঘ বৃষ্টি, অবসেশান,
উন্মাদনা,
যেদিন থেকে এই মুখোশ খুলে ফেলা
মানুষটির সঙ্গে আমার পরিচয় হলো
সেদিন থেকে আমি আর আমাকে বিশ্বাস
করি না।
Related Articles
চিরকুট
শতকোটি প্রনামান্তে হুজুরে নিবেদন এই– মাপ করবেন খাজনা এ সন ছিটেফোঁটাও ধান নাই। মাঠেঘাটে কপাল ফাটে দৃষ্টি চলে যত দূর খাল শুক্নো বিল শুক্নো চোখের কোলে সমুদ্দুর। হাত পাতব কার কাছে কে গাঁয়ের সবার দশা এক তিন সন্ধে উপোষ দিলাম আজ খাচ্ছি বুনো শাক। পরনে যা আছে তাতে ঢাকা যায় না লজ্জা ঘটি বাটি বেচেছি […]
একুশে ফেব্রুয়ারী
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু-গড়া এ ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি। জাগো নাগিনীরা জাগো নাগিনীরা জাগো কালবোশেখীরা শিশুহত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা, দেশের সোনার ছেলে খুন করে রোখে মানুষের দাবী দিন বদলের ক্রান্তি লগনে তবু তোরা […]
বেদনা বোনের মত
৪১. বেদনা বোনের মত একদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখলাম শুধু আমাকেই দেখা যায়, আলোর প্রতিফলন প্রতিসরণের নিয়ম না জানা আমি সেই থেকে আর কোনদিন আয়না দেখি না। জননীর জৈবসারে বর্ধিত বৃক্ষের নিচে কাঁদতাম যখন দাঁড়িয়ে সজল শৈশবে, বড়ো সাধ হতো আমিও কবর হয়ে যাই, বহুদিন হলো আমি সেরকম কবর দেখি না কবরে স্পর্ধিত সেই একই […]


