কতো যে করেছে মেঘ মাথার ভিতর,
কতো বৃষ্টি ঝড়,
পাগল বাতাস সমস্ত নদীর ঢেউ,
সমস্ত বনের দীর্ঘশ্বাস
আমি এই নির্বাক বৃক্ষের কান্না মন দিয়ে রেকর্ড করেছি।
বুঝিনি সেখানে কতো অন্ধকার,
কতো তৃষ্ণা কতো এক্সপ্রেস ট্রেনের শব্দ কতো নিঝুম রাত্রির গান,
মৃত নক্ষত্রের করুণ কোরাম,
পূর্ব পুরুষদের এই অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠ করতে করতে আমি ক্লান্ত।
মাথার ভিতরে এই মেঘ বৃষ্টি, অবসেশান,
উন্মাদনা,
যেদিন থেকে এই মুখোশ খুলে ফেলা
মানুষটির সঙ্গে আমার পরিচয় হলো
সেদিন থেকে আমি আর আমাকে বিশ্বাস
করি না।
Related Articles
খতিয়ান
হাত বাড়ালেই মুঠো ভরে যায় ঋণে অথচ আমার শষ্যের মাঠ ভরা । রোদ্দুর খুঁজে পাইনা কখনো দিনে আলোতে ভাসায় রাতের বসুন্ধরা । টোকা দিলে ঝরে পচা আঙুলের ঘাম ধস্ত তখন মগজের মাস্তুল নাবিকেরা ভোলে নিজেদের ডাক-নাম চোখজুড়ে ফোটে রক্তজবার ফুল । ডেকে ওঠো যদি স্মৃতিভেজা ম্লান স্বরে ওড়াও নীরবে নিভৃত রুমালখানা পাখিরা ফিরবে পথ চিনে […]
আত্মা
প্রতিটি ট্রেনের সঙ্গে আমার চতুর্থভাগ আত্মা ছুটে যায় প্রতিটি আত্মার সঙ্গে আমার নিজেস্ব ট্রেন অসময় নিয়ে খেলা করে। আলোর দোকানে আমি হাজার হাজার বাতি সজিয়ে রেখেছি নষ্ট-আলো সঞ্জীবনী শিক্ষা করে আমার চঞ্চল অহমিকা। জাদুঘরে অসংখ্য ঘড়িতে আমি অসংখ্য সময় লিখে রাখি নারীর ঊরুর কাছে আমার পিঁপড়ে দূত ঘোরে ফেরে আমারই ইঙ্গিতে তারা চুম্বনের আগে কেঁপে […]
চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া
স্পর্শকাতরতাময় এই নাম উচ্চারণমাত্র যেন ভেঙে যাবে, অন্তর্হিত হবে তার প্রকৃত মহিমা,- চুনিয়া একটি গ্রাম, ছোট্ট কিন্তু ভেতরে-ভেতরে খুব শক্তিশালী মারণাস্ত্রময় সভ্যতার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। মধ্যরাতে চুনিয়া নীরব। চুনিয়া তো ভালোবাসে শান্তস্নিগ্ধ পূর্ণিমার চাঁদ, চুনিয়া প্রকৃত বৌদ্ধ-স্বভাবের নিরিবিলি সবুজ প্রকৃতি; চুনিয়া যোজনব্যাপী মনোরম আদিবাসী ভূমি। চুনিয়া কখনো কোনো হিংস্রতা দ্যাখেনি। চুনিয়া গুলির শব্দে আঁতকে উঠে কি? […]

