এই দেশ আমাকে যে এতো ভালোবাসে, এই মাটি
এতো তার বুকের মমতা দিয়ে আগলে রাখে, ছায়া দেয়
সিক্ত করে আমার জীবন;
এই লতাগুল্ম ফুল ও উদ্ভিদ, এই পাখি ও পতঙ্গ
রাখালের মর্মরিত বাঁশি রাখালের উদাসীন
গান
আমাকে এতো যে মাতিয়ে রাখে, এতো যে
উদ্বুদ্ধ করে
আমি আজ সেই ভালোবাসার জন্য অশ্রুজল ফেলি
বড় ইচ্ছা করে এই মাটিতে আবার আমি
শিশুর মতন গড়াগড়ি দেই,
সারাদেহে মাখি এই মাটির শুদ্ধতা
ইচ্ছা করে আবার নদীর জলে অবুঝ
কিশোর হয়ে যাই
হলুদ পাখির খোঁজে বনে বনে ঘুরি;
এই মানুষের হস্তাক্ষর মর্মে রেখে দেই
জন্মে জন্মে যেন ফিরে আসি এই বাংলায়।
Related Articles
সুন্দর তুমি এসেছিলে
সুন্দর, তুমি এসেছিলে আজ প্রাতে অরুণ-বরণ পারিজাত লয়ে হাতে। নিদ্রিত পুরী, পথিক ছিল না পথে, একা চলি গেলে তোমার সোনার রথে, বারেক থামিয়া মোর বাতায়নপানে চেয়েছিলে তব করুণ নয়নপাতে। সুন্দর, তুমি এসেছিলে আজ প্রাতে। স্বপন আমার ভরেছিল কোন্ গন্ধে ঘরের আঁধার কেঁপেছিল কী আনন্দে, ধুলায় লুটানো নীরব আমার বীণা বেজে উঠেছিল অনাহত কী আঘাতে। কতবার […]
অচিন মানুষ
মানুষ পাখির কাছ থেকে গান নকল করলো নদীর কাছ থেকে সুর, লাল নীল সবুজ চিনলো সে রঙধনু দেখে তার নিজের কিছুই নয়, সবই পরের ধন, এতো কিছু চিনলো সে, এতো কিছু শিখল এতো বিদ্যা, এতো শিল্প সে সবই চিনলো শুধু নিজেকে চিনলো না, নিজের কাছে সে এক অচিন মানুষ।
অল্প-একটু আকাশ
অতঃপর সে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল। জুঁইয়ের গন্ধে বাতাস যেখানে মন্থর হয়ে আছে ; এবং, রেলিংয়ে ভর দিয়ে যেখান থেকে অল্প-একটু আকাশ দেখা যায়। আকাশ! এতক্ষণে তার মনে পড়ল, সারাটা সকাল, সারাটা বিকেল আর সন্ধ্যা কাজের পাথরে মাথা ঠুকতে ঠুকতে, মাথা ঠুকতে ঠুকতে মাথা ঠোকাই তার সার হয়েছে। কোনো-কিছুই সে শুনতে পায়নি ; না একটা গান, […]

