এই দেশ আমাকে যে এতো ভালোবাসে, এই মাটি
এতো তার বুকের মমতা দিয়ে আগলে রাখে, ছায়া দেয়
সিক্ত করে আমার জীবন;
এই লতাগুল্ম ফুল ও উদ্ভিদ, এই পাখি ও পতঙ্গ
রাখালের মর্মরিত বাঁশি রাখালের উদাসীন
গান
আমাকে এতো যে মাতিয়ে রাখে, এতো যে
উদ্বুদ্ধ করে
আমি আজ সেই ভালোবাসার জন্য অশ্রুজল ফেলি
বড় ইচ্ছা করে এই মাটিতে আবার আমি
শিশুর মতন গড়াগড়ি দেই,
সারাদেহে মাখি এই মাটির শুদ্ধতা
ইচ্ছা করে আবার নদীর জলে অবুঝ
কিশোর হয়ে যাই
হলুদ পাখির খোঁজে বনে বনে ঘুরি;
এই মানুষের হস্তাক্ষর মর্মে রেখে দেই
জন্মে জন্মে যেন ফিরে আসি এই বাংলায়।
Related Articles
কু
সে এসে দাঁড়াল তামসী মেঘের আবডালে, ঐ স্টেশনের থেকে এককুচি আলো কপালে বিঁধল নিষ্ঠুর, আমি বিব্রত কন্ঠে বলেছি, “কে তোকে জড়াবে?” —রক্তের রঙা ব্লাউস হঠাৎ উড়ে গেল আর সে শুধু বলল, “তু…” গঞ্জের নাম দিগন্তহাট, মেয়েটির নাম কু। ফের একবার ট্রেন এল, সেটা বোধহয় পরের বছরই, তখন সন্ধ্যা নিবিয়ে দিচ্ছে পথপ্রান্তর — এমন সময় দাঙ্গাধ্বস্ত […]
ঝর্ণার পাশে
ঝর্ণার ডুব দিয়ে দেখি নিচে একটা তলোয়ার একটুও মর্চে পড়েনি, অতসী ফুলের মতো আভা আমার হাতের ছোঁয়ায় হঠাৎ ভেঙে গেলে তার ঘুম তুলে নিয়ে উঠে আসি, চুপ করে বসে থাকি কিচুক্ষন কাছাকাছি আর কেউ নেই যেন ঝর্ণাটাই আমার হাতের মুঠোয়, রৌদ্রে দেখছি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মাঝে মাজে এক-একটা ঝিলিকে চোখ ঝলসে যায় মনে হয় না বহু […]
শুয়ে শুয়ে
আমার সঙ্গে শোবে এসো, তোমার উরুতে আমি আমার মাথাটি রাখছি, আর আমার কাত হয়ে শোওয়া কোমরের খাঁজে তোমার বাহু রাখো, এভাবে ভাই বোনের মত, বোন বোনের মত, টোনাটুনির মত, সুকসারীর মত, পেঙ্গুইন দম্পতির মত চলো শুয়ে থাকি। শুয়ে শুয়ে কবে কোন শিশুকালে দুপুরের পুকুরে হাঁসের সাঁতার দেখেছিলে, একটি বাচ্চা হাঁস পথ হারিয়ে কাঁদছিল, ওকে তুলে […]

