এই দেশ আমাকে যে এতো ভালোবাসে, এই মাটি
এতো তার বুকের মমতা দিয়ে আগলে রাখে, ছায়া দেয়
সিক্ত করে আমার জীবন;
এই লতাগুল্ম ফুল ও উদ্ভিদ, এই পাখি ও পতঙ্গ
রাখালের মর্মরিত বাঁশি রাখালের উদাসীন
গান
আমাকে এতো যে মাতিয়ে রাখে, এতো যে
উদ্বুদ্ধ করে
আমি আজ সেই ভালোবাসার জন্য অশ্রুজল ফেলি
বড় ইচ্ছা করে এই মাটিতে আবার আমি
শিশুর মতন গড়াগড়ি দেই,
সারাদেহে মাখি এই মাটির শুদ্ধতা
ইচ্ছা করে আবার নদীর জলে অবুঝ
কিশোর হয়ে যাই
হলুদ পাখির খোঁজে বনে বনে ঘুরি;
এই মানুষের হস্তাক্ষর মর্মে রেখে দেই
জন্মে জন্মে যেন ফিরে আসি এই বাংলায়।
Related Articles
কবিতা তোমাকে
ভালোবাসা আজ তোমায় ভাসিয়ে দিয়েছি জলে অশ্রুকনা আমার ভাষা তোমার হৃদয় ‘ পরে অক্ষর গুলো হৃদয় ধ্বনি ধক্,ধক্, কবিতার ছন্দে কাগজ্-পেনের এ আলিঙ্গন সৃস্টি আমার ঔরসে পাওয়া না পাওয়ার স্বাদ কাব্যিক লিলায় মাতে তৃপ্তির চরম সুখ কবিতা তোমাকে–
বৃষ্টি হয়েছিল পথে সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে
বৃষ্টি হয়েছিল পথে সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে বাসা ভেঙে গিয়েছিল, গাছগুলি পেয়েছিল হাওয়া সুপুরিডানার শীর্ষে রূপোলি জলের প্রভা ছিল আর ছিল অন্ধকারে – হদৃয়রহিত অন্ধকারে মাটিতে শোয়ানো নৌকো, বৃষ্টি জমে ছিল তার বুকে ভেজা বাকলের শ্বাস শূন্যের ভিতরে স্তব্ধ ছিল মাটি ও আকাশ শুধু সেতু হয়ে বেঁধেছিল ধারা জীবনমৃত্যুর ঠিক মাঝখানে বায়বীয় জাল কাঁপিয়ে নামিয়েছিল অতীত, […]
আরও নিচে
সিংহাসন থেকে একটু নিচে নেমে, পাথরের সিঁড়ির উপর বসে থাকি একা, চিবুক নির্ভরশীল চোখ লোকচক্ষু থেকে দূরে। ‘সম্রাটের চেয়ে কিছু কম সম্রাটত্ব’ থেকে ছুটি নিয়ে আজ হলুদ দিনাবসানে পরিকীর্ণ শব্দটির মোহে মাটির মানুষ হতে সাধ হয়। এক-একদিন একরকম হয়। আমার চোখের নীচে কালো দাগ ব্যান্ডেজের মধ্যে একটা পোকা ঢুকলে যে-রকম জাদুদন্ডসম কোনো মহিলার মতো নিয়তি […]

