অল্প লইয়া থাকি, তাই মোর যাহা যায় তাহা যায়।
কণাটুকু যদি হারায় তা লয়ে প্রাণ করে “হায় হায়’ ॥
নদীতটসম কেবলই বৃথাই প্রবাহ আঁকড়ি রাখিবারে চাই,
একে একে বুকে আঘাত করিয়া ঢেউগুলি কোথা ধায় ॥
যাহা যায় আর যাহা-কিছু থাকে সব যদি দিই সঁপিয়া তোমাকে
তবে নাহি ক্ষয়, সবই জেগে রয় তব মহা মহিমায়।
তোমাতে রয়েছে কত শশী ভানু, হারায় না কভু অণু পরমাণু,
আমারই ক্ষুদ্র হারাধনগুলি রবে না কি তব পায় ॥
Related Articles
কেন সারাদিন ধীরে ধীরে
কেন সারাদিন ধীরে ধীরে বালু নিয়ে শুধু খেল তীরে! চলে গেল বেলা, রেখে মিছে খেলা ঝাঁপ দিয়ে পড়ো কালো নীরে। অকূল ছানিয়ে যা পাও তা নিয়ে হেসে কেঁদে চলো ঘরে ফিরে। নাহি জানি মনে কী বাসিয়া পথে বসে আছে কে আসিয়া। কী কুসুমবাসে ফাগুনবাতাসে হৃদয় দিতেছে উদাসিয়া। চল্ ওরে এই খেপা বাতাসেই সাথে নিয়ে সেই […]
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা, এ সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা। যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো, আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা ॥ তব মুখ সদা মনে জাগিতেছে সংগোপনে, তিলেক অন্তর হলে না হেরি কূল-কিনারা। কখনো বিপথে যদি ভ্রমিতে চাহে এ হৃদি অমনি ও মুখ হেরি শরমে সে হয় সারা।
আবার ভালবাসার সাধ জাগে
আবার ভালবাসার সাধ জাগে সেই পুরাতন চাঁদ, আমার চোখে আজ নূতন লাগে । যে ফুল দলিয়াছি নিঠুর পায়ে সাধ যায় ধরি তারে বক্ষে জড়ায়ে উদাসীন হিয়া হায় রেঙে ওঠে অবেলায় সোনার গোধুলি রাগে । আবার ফাগুন সমীর কেন বহে ? আমার ভুবন ভরি কেঁদে ওঠে বাঁশরী অসীম বিরহে । তব বনের বুকে ঝরণা সম কে […]

