হায় কে দিবে আর সান্ত্বনা।
সকলে গিয়েছে হে, তুমি যেয়ো না–
চাহো প্রসন্ন নয়নে, প্রভু, দীন অধীন জনে ॥
চারি দিকে চাই, হেরি না কাহারে।
কেন গেলে ফেলে একেলা আঁধারে–
হেরো হে শূন্য ভুবন মম ॥
হায় কে দিবে আর সান্ত্বনা।
সকলে গিয়েছে হে, তুমি যেয়ো না–
চাহো প্রসন্ন নয়নে, প্রভু, দীন অধীন জনে ॥
চারি দিকে চাই, হেরি না কাহারে।
কেন গেলে ফেলে একেলা আঁধারে–
হেরো হে শূন্য ভুবন মম ॥
আমি চঞ্চল হে, আমি সুদূরের পিয়াসি। দিন চলে যায়, আমি আনমনে তারি আশা চেয়ে থাকি বাতায়নে– ওগো, প্রাণে মনে আমি যে তাহার পরশ পাবার প্রয়াসী॥ ওগো সুদূর, বিপুল সুদূর, তুমি যে বাজাও ব্যাকুল বাঁশরি– মোর ডানা নাই, আছি এক ঠাঁই সে কথা যে যাই পাশরি॥ আমি উন্মনা হে, হে সুদূর, আমি উদাসী॥ রৌদ্র-মাখানো অলস বেলায় […]
ও আমার উড়ল পঙ্খী রে যা যা তুই উড়াল দিয়া যা আমি থাকব মাটির ঘরে, আমার চোক্ষে বৃষ্টি পড়ে তোর হইবে মেঘের উপরে বাসা… [ও] আমার মনে বেজায় কষ্ট সেই কষ্ট হইল পষ্ট দুই চোক্ষে ভর করিল আঁধার নিরাশা তোর হইল মেঘের উপরে বাসা ও আমার উড়ল পঙ্খী রে… মেঘবতী মেঘকুমারী মেঘের উপরে থাক সুখ-দুঃখ […]
এই কথাটি মনে রেখো তোমাদের এই হাসিখেলায়। আমি যে গান গেয়েছিলেম মনে রেখো। জীর্ণ পাতা ঝরার বেলায় মনে রেখো।। শুকনো ফাসি শূণ্য বনে আপন মনে অনাদরে অবহেলায় গান গেয়েছিলেম।। দিনের পথিক মনে রেখো আমি চলেছিলেম রাতে সন্ধ্যা প্রদীপ নিয়ে হাতে যখন আমায় ওপার থেকে গেল ডেকে ভেসেছিলেম ভাঙা ভেলায় গান গেয়েছিলেম।।
