| আমারে দিই তোমার হাতে
নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ দিনে দিনেই ফুল যে ফোটে, তেমনি করেই ফুটে ওঠে জীবন তোমার আঙিনাতে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ বিচ্ছেদেরই ছন্দে লয়ে মিলন ওঠে নবীন হয়ে। আলো-অন্ধকারের তীরে হারায়ে পাই ফিরে ফিরে, দেখা আমার তোমার সাথে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ |
রাগ: ভৈরবী তাল: তেওরা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৭ চৈত্র, ১৩২০ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২১ মার্চ, ১৯১৪ রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
আনন্দধারা বহিছে ভুবনে
আনন্দধারা বহিছে ভুবনে, দিনরজনী কত অমৃতরস উথলি যায় অনন্ত গগনে ॥ পান করি রবে শশী অঞ্জলি ভরিয়া– সদা দীপ্ত রহে অক্ষয় জ্যোতি– নিত্য পূর্ণ ধরা জীবনে কিরণে ॥ বসিয়া আছ কেন আপন-মনে, স্বার্থনিমগন কী কারণে? চারি দিকে দেখো চাহি হৃদয় প্রসারি, ক্ষুদ্র দুঃখ সব তুচ্ছ মানি প্রেম ভরিয়া লহো শূন্য জীবনে ॥
বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে
বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে, পথিকেরে লহো ডাকি তব মন্দিরের এক ধারে। বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি বনপথ হতে, সুন্দরী, এনেছি মল্লিকামঞ্জলী– তুমি লবে নিজ বেণীবন্ধে মনে রেখেছি এ দুরাশারে। বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। ঝিল্লিঝঙ্কৃত নিশীথে পথে যেতে বাঁশরিতে শেষ গান […]
অনেক কথা যাও যে ব'লে
অনেক কথা যাও যে ব’লে কোনো কথা না বলি। তোমার ভাষা বোঝার আশা দিয়েছি জলাঞ্জলি॥ যে আছে মম গভীর প্রাণে ভেদিবে তারে হাসির বাণে, চকিতে চাহ মুখের পানে তুমি যে কুতূহলী। তোমারে তাই এড়াতে চাই, ফিরিয়া যাই চলি। আমার চোখে যে চাওয়াখানি ধোওয়া সে আঁখিলোরে– তোমারে আমি দেখিতে পাই, তুমি না পাও মোরে। তোমার মনে […]


