| আমারে দিই তোমার হাতে
নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ দিনে দিনেই ফুল যে ফোটে, তেমনি করেই ফুটে ওঠে জীবন তোমার আঙিনাতে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ বিচ্ছেদেরই ছন্দে লয়ে মিলন ওঠে নবীন হয়ে। আলো-অন্ধকারের তীরে হারায়ে পাই ফিরে ফিরে, দেখা আমার তোমার সাথে নূতন ক’রে নূতন প্রাতে ॥ |
রাগ: ভৈরবী তাল: তেওরা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৭ চৈত্র, ১৩২০ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২১ মার্চ, ১৯১৪ রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
আমার মা যে গোপাল সুন্দরী
আমার মা যে গোপাল সুন্দরী যেনো এক বৃন্তে কৃষ্ণ কলি অপরাজিতার মঞ্জরী…।। মা আধেক পুরুষ অর্ধ অঙ্গে নারী আধেক কালি আধেক বংশীধারী মার অর্ধ অঙ্গে পীতাম্বর আর অর্ধ অঙ্গে সে দিগম্বরী আমার মা যে গোপাল সুন্দরী…।। মা যে পায়ে প্রেম কুসুম ফোটায় নুপুর পরা সেই চরণ মার সেই হাতে রয় সর্প বলায় যে হাতে প্রলয় […]
এ তো খেলা নয়
এ তো খেলা নয়, খেলা নয় । এ যে হৃদয়দহনজ্বালা সখী ।। এ যে প্রাণভরা ব্যাকুলতা, গোপন মর্মের ব্যথা, এ যে কাহার চরণোদ্দেশে জীবন মরণ ঢালা সখী ।। কে যেন সতত মোরে ডাকিয়ে আকুল করে, যাই-যাই করে প্রাণ- যেতে পারি নে । যে কথা বলিতে চাহি তা বুঝি বলিতে নাহি- কোথায় নামায়ে রাখি, সখী, এ […]
হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের
হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের, এল দেবতা তোর জগতের, গেল চলি, গেল তোরে গেল ছলি— অর্জুন! তুমি অর্জুন! বেলা যায় বহিয়া, দাও কহিয়া কোন্ বনে যাব শিকারে। কাজল মেঘে সজল বায়ে হরিণ ছুটে বেণুবনচ্ছায়ে॥ Ha hotobhagini kotha

