-বৃক্ষের বল্কল দেখে মনে হয় যেন আমাদের
কথোপকথনগুলো যাতে না হারায়
আশ্চর্য হরফে লিখে রেখেছে উল্কির মতো নিজেদের গায়।
পৃথিবীর বৃক্ষগুলো মানুষের গোপনীয়তম
সমস্ত সংবাদ জানে,এমনকি তোমাকে যা কখনো বলিনি
হৃদয়ের সেই সব তূর্ষনাদও আর্তনাদও জানে।
-নভোমন্ডলের দিকে চেয়ে থেকে ঠিক এরকমই
ভেবেছি আমিও। কোন গোপন আলমারী ঘেঁটে-ঘুঁটে
তোমাকে যে-সব চিঠি লিখেছি,যা কখনো লিখিনি
নক্ষত্র-অক্ষরে যেন ছাপিয়ে রেখেছে তার সব
অভ্রকণা,অশ্রুকণাগুলি।
Related Articles
ইদানিং জীবন যাপন
১১. ইদানিং জীবন যাপন আমার কষ্টেরা বেশ ভালোই আছেন, প্রাত্যহিক সব কাজ ঠিক-ঠাক করে চলেছেন খাচ্ছেন-দাচ্ছেন, অফিসে যাচ্ছেন, প্রেসক্লাবে আড্ডাও দিচ্ছেন। মাঝে মাঝে কষ্টেরা আমার সারাটা বিকেল বসে দেখেন মৌসুমী খেলা, গোল স্টেডিয়াম যেন হয়ে যায় নিজেই কবিতা। আজকাল আমার কষ্টেরা বেশ ভালোই থাকেন, অঙ্কুরোদ্গম প্রিয় এলোমেলো যুবকের অতৃপ্ত মানুষের শুশ্রূষা করেন। বিরোধী দলের ভুল […]
রবীন্দ্রনাথ
এ কেমন অন্ধকার বঙ্গদেশ উত্থান রহিত নৈশব্দের মন্ত্রে যেন ডালে আর পাখিও বসে না। নদীগুলো দুঃখময়, নির্পতগ মাটিতে জন্মায় কেবল ব্যাঙের ছাতা, অন্যকোন শ্যামলতা নেই। বুঝি না, রবীন্দ্রনাথ কী ভেবে যে বাংলাদেশে ফের বৃক্ষ হয়ে জন্মাবার অসম্ভব বাসনা রাখতেন। গাছ নেই নদী নেই অপুষ্পক সময় বইছে পুনর্জন্ম নেই আর, জন্মের বিরুদ্ধে সবাই শুনুন, রবীন্দ্রনাথ আপনার […]
শুধু তোমারি জন্য
কত আশা রয়ে গেলো ঢাকা নিরাশার বালুচরে রয়ে গেলে তুমি রয়ে গেলাম আমি বাঁধা সময়ের বাহুডোরে ।। বদ্ধ মনের আঁধার ঘরে আলোর একটিও কিরণ যখন পায়নি যখন একটিও ভাষা রয়ে গেলে তুমি রয়ে গেলাম আমি আর ব্যর্থতার নিরবতা।। ।। অরুণিমা ।।

