তোমাকে বাজাই
সমুদ্র-শাঁখ তুমি।
গাছে ফুল আসে
ফুলেরা কিশোরী হয়।
ডালপালাগুলো
সবুজ পাতার খামে
চিঠি লিখে লিখে
প্রেম নিবেদন করে।
ফ্রক ছেড়ে শাড়ি পরে
সমগ্র বনভুমি।
তমাকে ভাসাই
মেঘের নৌকা তুমি
তুমি জান লাল
প্রবালের নিল দ্বীপ।
অমরাবতীর
দরজায় এসো নামো,
খাট-পালঙ্ক
পেতে দেয় জোৎস্নারা।
বুড়ি চাঁদ এসে
ঝাড়-লন্ঠন জ্বালে।
পৃথিবীর ফাটা গালে
হেসে ওঠে পুর্নিমা।
Related Articles
পাখির মতো
আম্মা বলেন, পড়রে সোনা আব্বা বলেন, মন দে; পাঠে আমার মন বসে না কাঁঠালচাঁপার গন্ধে। আমার কেবল ইচ্ছে জাগে নদীর কাছে থাকতে, বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে পাখির মতো ডাকতে। সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে কর্ণফুলীর কূলটায়, দুধভরা ঐ চাঁদের বাটি ফেরেস্তারা উল্টায়। তখন কেবল ভাবতে থাকি কেমন করে উড়বো, কেমন করে শহর ছেড়ে সবুজ গাঁয়ে ঘুরবো […]
কঙ্কাল ও শাদা বাড়ি
শাদা বাড়িটার সামনে আলো-ছায়া-আলো, একটি কঙ্কাল দাঁড়িয়ে এখন দুপুর রাত অলীক রাত্রির মতো, অররণা রয়েছে খুব ঘুমে- যে-রকম ঘুম শুধু কুমারীর, যে ঘুম স্পষ্টত খুব নীল; যে স্তনে লগৈনি দাঁত তার খুব মৃদু ওঠপড়া তলপেটে একটুও নেই ফাটা.দাগ, এ শরীর আজও ঋণী নয় এই সেই অরুণা ও রুনি নাম্মী পরা ও অপরা সুখ ও আসুখ […]
স্বর্গে যা নেই – হাফিজ
অনুবাদ: সুভাষ মুখোপাধ্যায় গালে-কালো- তিল সেই সুন্দরী স্বহস্তে ছুঁলে হৃদয় আমার, বোখারা তো ছার, সমরখন্দ ও খুশি হয়ে তাকে দেব উপহার । স্বর্গে যা নেই, আমি যেন পাই হে সাকি, বানাও এমন বিধান, রুকনাবাদের নদীর কিনার, মুসল্লার সে ফুলের বাগান । খন্ডিত এই প্রেম দিয়ে আমি পারি না বাঁধতে সে অপরূপাকে ; রং তিল চুল […]

