তোমাকে বাজাই
সমুদ্র-শাঁখ তুমি।
গাছে ফুল আসে
ফুলেরা কিশোরী হয়।
ডালপালাগুলো
সবুজ পাতার খামে
চিঠি লিখে লিখে
প্রেম নিবেদন করে।
ফ্রক ছেড়ে শাড়ি পরে
সমগ্র বনভুমি।
তমাকে ভাসাই
মেঘের নৌকা তুমি
তুমি জান লাল
প্রবালের নিল দ্বীপ।
অমরাবতীর
দরজায় এসো নামো,
খাট-পালঙ্ক
পেতে দেয় জোৎস্নারা।
বুড়ি চাঁদ এসে
ঝাড়-লন্ঠন জ্বালে।
পৃথিবীর ফাটা গালে
হেসে ওঠে পুর্নিমা।
Related Articles
অমিমাংসিত সন্ধি
৪. অমিমাংসিত সন্ধি তোমাকে শুধু তোমাকে চাই, পাবো? পাই বা না পাই এক জীবনে তোমার কাছেই যাবো। ইচ্ছে হলে দেখতে দিও, দেখো হাত বাড়িয়ে হাত চেয়েছি রাখতে দিও, রেখো অপূণতায় নষ্টে-কষ্টে গেলো এতোটা কাল, আজকে যদি মাতাল জোয়ার এলো এসো দু’জন প্লাবিত হই প্রেমে নিরাভরণ সখ্য হবে যুগল-স্নানে নেমে। থাকবো ব্যাকুল শর্তবিহীন নত পরস্পরের বুকের […]
তোর বহির্মুখ, মুখপুড়ি
তোর বহির্মুখী দেহ, আদরক্লান্ত ঘামে, মুখপুড়ি মেছোমেয়ে আলুথালু মরশুমে, বেড়ে ও ফিকিরহীন, অপপ্রচারে, বুঝলি জাহাজ ভাসাতে চাইছে পিম্পদের ঘোড়েল জোয়ারে ! হাউ সিলি ! নো ? কী বলিস, ডারলিং, সুইটি পাই ? তোর নাব্য নগ্নতা গ্লসি কাগজের চারু মলাটে হেলান দিয়ে পুজো সংখ্যার মোটা বেহেডদের পাশে শুয়ে করছেটা কী ? বল তুই ? তোর কোনো […]
যা ছিল অনন্ত মধুর
জীবনে যা ছিল খুব অনন্ত মধুর যা ছিল নিকট খুব, যা ছিল সুদূর, কাম্য যা ছিল এই মর্ত্যে, সংসারে লুকানো শব্দের বীজ আলোয় আঁধারে; আজ তাকে খুঁজি, পাই না কোথাও যা আছে তোমার তুমি তার কাছে যাও। তাকে দাও ভালোবাসা, তাকে দাও ছায়া সে অদৃশ্য বিমূর্ত হবে অপরূপ কায়া, তাই নিয়ে মেতে থাকো, বাঁধো ভাঙা […]

