
বৃষ্টি ফুরিয়ে গেছে তার, সে খুব গরিব,
তার শুভ্রতার মধ্যে ধূসরতার গন্ধ
হলুদ পাতার ঝরে পড়া;
শরৎ বড় একা একা, শান্ত নিসঃঙ্গ
সে শুধু স্থির পুকুরের মতো নিঃশব্দে বসে থকে,
তার শুষ্ক মুখে জলের কোন কারুকাজ নেই
বর্ষণের লাবণ্য নেই।
এই শরতের জন্য মঝে মাঝে আমার বেশ
মন খরাপ হয়,
অবার তাকে ভালোওবাসি,
আবার তাকে
খুঁজেও বেড়াই;
এই শরতের চেখের দিকে চেয়ে কত কথা মনে পড়ে
তাকে কখনো কখনো রূপকথাও মনে হয়,
পরীর ডানার মতো শাদা এই শরৎ খুব
ভালো।
Related Articles
জেলগেটে দেখা
সেলের তালা খোলা মাত্রই এক টুকরো রোদ এসে পড়লো ঘরের মধ্যে আজ তুমি আসবে । সারা ঘরে আনন্দের শিহরণ খেলছে । যদিও উত্তরের বাতাস হাড়েঁ কাঁপন ধরিয়ে দিয়ে বইছে , তবু আমি ঠান্ডা পানিতে হাত মুখ ধুয়ে নিলাম। পাহারাদার সেন্ট্রিকে ডেকে বললাম, আজ তুমি আসবে । সেন্ট্রি হাসতে হাসতে আমার সিগ্রেটে আগুন ধরিয়ে দিল । […]
এই শেষ পায়রা
এই শেষ পায়রা। এই শেষ শান্তির পতাকা। ঘাড়ে পোঁতা। কিন্তু তার ছুঁচালো লোহার দণ্ড ঘাড়ে ঢুকে থামে না–এগোয়। খোঁজে শিরদাঁড়া–ইলেকট্রোড। পায়। ছোঁয়। গর্ত করে আর দিন চলে যায় শতলক্ষ বছরের পার তারপর যারা আসে, তারা দেখে বসে আছে একটু মনুষ্যমূর্তি, কাঁধে পাখি– দুজনই অঙ্গার!
মেরু বিপর্যয়
অবন্তিকা, হিপি বিদেশিনী, স্লিপিং ব্যাগেতে তোর চুপচাপ ঢুকে যেতে দিয়েছিলি শুনে আমি কবি, টাইম পত্রিকা ফোটো ছাপিয়েছে , বিটনিকরাও লিখেছে আমার কথা বড়ো করে তাদের কাগজে– হ্যাশ টেনে ভোম মেরে দু-ঠ্যাং ছড়িয়ে সে-প্রণয় গিঁথে আছে চেতনায় কবিতা ভাঙিয়ে তোর শ্বাস না-মাজা দাঁতের ভাপ সোনালি শুকনো চুল ধরে বুকে ময়লাটে তাপে মুখ গুঁজে কবিত্ব করেছি– বলেছিলি, […]


