
বৃষ্টি ফুরিয়ে গেছে তার, সে খুব গরিব,
তার শুভ্রতার মধ্যে ধূসরতার গন্ধ
হলুদ পাতার ঝরে পড়া;
শরৎ বড় একা একা, শান্ত নিসঃঙ্গ
সে শুধু স্থির পুকুরের মতো নিঃশব্দে বসে থকে,
তার শুষ্ক মুখে জলের কোন কারুকাজ নেই
বর্ষণের লাবণ্য নেই।
এই শরতের জন্য মঝে মাঝে আমার বেশ
মন খরাপ হয়,
অবার তাকে ভালোওবাসি,
আবার তাকে
খুঁজেও বেড়াই;
এই শরতের চেখের দিকে চেয়ে কত কথা মনে পড়ে
তাকে কখনো কখনো রূপকথাও মনে হয়,
পরীর ডানার মতো শাদা এই শরৎ খুব
ভালো।
Related Articles
তোমার কাছেই
সকাল নয়, তবু আমার প্রথম দেখার ছটফটানি দুপুর নয়, তবু আমার দুপুরবেলার প্রিয় তামাশা ছিল না নদী, তবুও নদী পেরিয়ে আসি তোমার কাছে তুমি ছিলে না তবুও যেন তোমার কাছেই বেড়াতে আসা! শিরীষ গাছে রোদ লেগেছে শিরীষ কোথায়, মরুভূমি! বিকেল নয়, তবু আমার বিকেলবেলর ক্ষুৎপিপাসা চিঠির খামে গন্ধ বকুল তৃষ্ণা ছোটে বিদেশ পানে তুমি ছিলে […]
গেরিলা
দেখতে কেমন তুমি? কী রকম পোশাক-আকাশ পরে করো চলাফেলা? মাথায় আছে কি জটাজাল? পেছনে দেখাতে পারো জ্যোতিশ্চক্র সন্তের মতন? টুপিতে পালক গুঁজে অথবা জবরজং, ঢোলা পাজামা কামিজ গায়ে মগডালে একা শিস দাও পাখির মতোই কিংবা চা-খানায় বসো ছায়াচ্ছন্ন? দেখতে কেমন তুমি? অনেকেই প্রশ্ন করে, খোঁজে কুলুজি তোমার আতিপাতি। তোমার সন্ধানে ঘোরে ঝানু গুপ্তচর সৈন্য, পাড়ায় […]
আরও নিচে
সিংহাসন থেকে একটু নিচে নেমে, পাথরের সিঁড়ির উপর বসে থাকি একা, চিবুক নির্ভরশীল চোখ লোকচক্ষু থেকে দূরে। ‘সম্রাটের চেয়ে কিছু কম সম্রাটত্ব’ থেকে ছুটি নিয়ে আজ হলুদ দিনাবসানে পরিকীর্ণ শব্দটির মোহে মাটির মানুষ হতে সাধ হয়। এক-একদিন একরকম হয়। আমার চোখের নীচে কালো দাগ ব্যান্ডেজের মধ্যে একটা পোকা ঢুকলে যে-রকম জাদুদন্ডসম কোনো মহিলার মতো নিয়তি […]

