দুলে উঠছে ফুলের অজস্র পতাকা
উধাও ছাত্রদের মাঠে
ঘাসের বেয়োনেটগুলো আকাশের দিকে স্থির
পাশেই
ছিন্ন একটা স্তনের বোঁটা মুখে
সমস্ত নিস্তব্ধতায়
দীর্ঘ ছায়া ফেলে
সৈনিক
সূর্যাস্তের প্রতিফলন তার দাঁতে
Related Articles
কথা আছে
বহুক্ষণ মুখোমুখি চুপচাপ, একবার চোখ তুলে সেতু আবার আলাদা দৃষ্টি, টেবিলে রয়েছে শুয়ে পুরোনো পত্রিকা প্যান্টের নিচে চটি, ওপাশে শাড়ির পাড়ে দুটি পা-ই ঢাকা এপাশে বোতাম খোলা বুক, একদিন না-কামানো দাড়ি ওপাশে এলো খোঁপা, ব্লাউজের নীচে কিছু মসৃণ নগ্নতা বাইরে পায়ের শব্দ, দূরে কাছে কারা যায় কারা ফিরে আসে বাতাস আসেনি আজ, রোদ গেছে বিদেশ […]
ডাকবাংলোতে
ফুটে উঠলো একটি দুটি টগর কন্ঠে মুক্তো- মালা মরি মরি তোমরা আজ সকালবেলার প্রসণ্নতা এক মুহূর্তে শিশির ভেজা আলো নর্মছলে তোমরা অন্সীরী। ‘কী সুন্দর ঐ টগর ফুল দুটো- খোঁপায় গুঁজবো আমি!’ প্রাক-যুবতী বারান্দার প্রান্তে এসে আঁখি তুললো- সদ্য ভোর, বিরল হওয়া, ঠান্ডা রোদ সাংকেতিক পাখির ডাক, উপত্যকায় নির্জনতা আমি বেতের ইজিচেয়ারে অলস। ফুলের থেকে চোখ […]
নেড়া বেলতলায় যায় কবার?
রোদে রাঙা ইঁটের পাঁজা তার উপরে বসল রাজা— ঠোঙাভরা বাদামভাজা খাচ্ছে কিন্তু গিলছে না৷ গায়ে আঁটা গরম জামা পুড়ে পিঠ হচ্ছে ঝামা; রাজা বলে, “বৃষ্টি নামা— নইলে কিচ্ছু মিলছে না৷” থাকে সারা দুপুর ধ’রে ব’সে ব’সে চুপটি ক’রে, হাঁড়িপানা মুখটি ক’রে আঁকড়ে ধ’রে শ্লেটটুকু; ঘেমে ঘেমে উঠছে ভিজে ভ্যাবাচ্যাকা একলা নিজে, হিজিবিজি লিখছে কি যে […]

