নির্জনতা ভালো, কিন্তু কতটুকু ভালো?
বনের ভিতর যাও, থাকো কিছুদিন
ঘাস পাতা খাও, কিছু ফুল খাও
শুয়ে থাকো হিম
অন্ধকারে, ঘুমঘোরে শিকড়ের পরে—-
দিন যাবে।
কিন্তু, তা কী করে যাবে? দিনরাত্রি নেই—
এই বন স্থির হয়ে বহুক্ষণ আছে।
কিছুদূর থেকে ঐ কোলাহল
ভেসে আসে কানে
ঝর্না ভেঙে পড়ে থাকে বাতাসের গানে—
নির্জনতা ভালো, কিন্তু কতটুকু ভালো?
Related Articles
প্রেমিকের প্রতিদ্বন্দ্বী
অতো বড় চোখ নিয়ে, অতো বড় খোঁপা নিয়ে অতো বড় দীর্ঘশ্বাস বুকের নিশ্বাস নিয়ে যতো তুমি মেলে দাও কোমরের কোমল সারশ যতো তুমি খুলে দাও ঘরের পাহারা যতো আনো ও-আঙ্গুলে অবৈধ ইশারা যতো না জাগাও তুমি ফুলের সুরভী আঁচলে আগলা করো কোমলতা, অন্ধকার মাটি থেকে মৌনতার ময়ূর নাচাও কোন আমি ফিরব না আর, আমি কোনদিন […]
সত্য ফেরারী
কোথায় পালালো সত্য? দুধের বোতলে, ভাতের হাঁড়িতে! নেই তো রেষ্টুরেন্টে, হোটেলে, সেলুনে, গ্রন্থাগারের গভীর গন্ধে, টেলিভিশনে বা সিনেমা, বেতারে, নৌকার খোলে, সাপের ঝাঁপিতে নেই তো। গুড়ের কলসি, বিষের কৌটো, চিনির বয়াম, বাজারের ব্যাগ, সিগারেট কেস, পানের ডিব্বা, জর্দার শিশি, লক্ষ্মীর সরা, নকশী পাতিল, চৌকির তলা, সবি খুঁজলাম, খুঁজে দেখলাম নেই তো! সাংবাদিকের কাঠের ডেস্কে, কাগজে, […]
রাশিয়ার চিঠি-১৪
ল্যান্স্ডাউন ইতিমধ্যে দুই-একবার দক্ষিণ-দরজার কাছে ঘেঁষে গিয়েছি। মলয়-সমীরণের দক্ষিণদ্বার নয়, যে দ্বার দিয়ে প্রাণবায়ু বেরোবার পথ খোঁজে। ডাক্তার বললে, নাড়ীর সঙ্গে হৃৎপিণ্ডের মুহূর্তকালের যে বিরোধ ঘটেছিল সেটা যে অল্পের উপর দিয়েই কেটে গেছে এটাকে অবৈজ্ঞানিক ভাষায় মিরাক্ল্ বলা যেতে পারে। যাই হোক, যমদূতের ইশারা পাওয়া গেছে, ডাক্তার বলছে এখন থেকে সাবধান হতে হবে। অর্থাৎ, উঠে […]

