নির্জনতা ভালো, কিন্তু কতটুকু ভালো?
বনের ভিতর যাও, থাকো কিছুদিন
ঘাস পাতা খাও, কিছু ফুল খাও
শুয়ে থাকো হিম
অন্ধকারে, ঘুমঘোরে শিকড়ের পরে—-
দিন যাবে।
কিন্তু, তা কী করে যাবে? দিনরাত্রি নেই—
এই বন স্থির হয়ে বহুক্ষণ আছে।
কিছুদূর থেকে ঐ কোলাহল
ভেসে আসে কানে
ঝর্না ভেঙে পড়ে থাকে বাতাসের গানে—
নির্জনতা ভালো, কিন্তু কতটুকু ভালো?
Related Articles
বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা
নক্ষত্রপুঞ্জের মতো জলজ্বলে পতাকা উড়িয়ে আছো আমার সত্তায়। মমতা নামের প্রুত প্রদেশের শ্যামলিমা তোমাকে নিবিড় ঘিরে রয় সর্বদাই। কালো রাত পোহানোর পরের প্রহরে শিউলিশৈশবে ‘পাখী সব করে রব’ ব’লে মদনমোহন তর্কালঙ্কার কী ধীরোদাত্ত স্বরে প্রত্যহ দিতেন ডাক। তুমি আর আমি, অবিচ্ছিন্ন পরস্পর মমতায় লীন, ঘুরেছি কাননে তাঁ নেচে নেচে, যেখানে কুসুম-কলি সবই ফোটে, জোটে অলি […]
আরও নিচে
সিংহাসন থেকে একটু নিচে নেমে, পাথরের সিঁড়ির উপর বসে থাকি একা, চিবুক নির্ভরশীল চোখ লোকচক্ষু থেকে দূরে। ‘সম্রাটের চেয়ে কিছু কম সম্রাটত্ব’ থেকে ছুটি নিয়ে আজ হলুদ দিনাবসানে পরিকীর্ণ শব্দটির মোহে মাটির মানুষ হতে সাধ হয়। এক-একদিন একরকম হয়। আমার চোখের নীচে কালো দাগ ব্যান্ডেজের মধ্যে একটা পোকা ঢুকলে যে-রকম জাদুদন্ডসম কোনো মহিলার মতো নিয়তি […]
কষ্টের কস্তুরী
কিছু কিছু কষ্ট আছে ক্ষতে কোন মলম লাগে না। কারওর শুশ্রুষা নয় গাঢ় মমতায় জেগে থাকা রাত নয় হাওয়া পরিবর্তন, তা-ও নয় সেরে যায়। কিছু কষ্ট নিয়ত পোড়ায় ক্ষুদ্র তুচ্ছ কিছু, ফুঁ মেরে উড়িয়ে দেওয়ার মতো কিছু কষ্টের ক্ষীণাঙ্গী শরীরেও আগুনের আঁচ থাকে সেইসব কষ্টগুলো বর্শা বেঁধায় না দুই চক্ষু অন্ধ করে না, কেবল কোথায় […]

