এ তো খেলা নয়, খেলা নয় ।
এ যে হৃদয়দহনজ্বালা সখী ।।
এ যে প্রাণভরা ব্যাকুলতা, গোপন মর্মের ব্যথা,
এ যে কাহার চরণোদ্দেশে জীবন মরণ ঢালা সখী ।।
কে যেন সতত মোরে ডাকিয়ে আকুল করে,
যাই-যাই করে প্রাণ- যেতে পারি নে ।
যে কথা বলিতে চাহি তা বুঝি বলিতে নাহি-
কোথায় নামায়ে রাখি, সখী, এ প্রেমের ডালা।
যতনে গাঁথিয়ে শেষে পরাতে পারি নে মালা সখী ।।
Related Articles
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি ওই গো বাজে হৃদয়মাঝে ॥ তোমার ঘরে নিশি-ভোরে আগল যদি গেল সরে আমার ঘরে রইব তবে কিসের লাজে?। অনেক বলা বলেছি, সে মিথ্যা বলা। অনেক চলা চলেছি, সে মিথ্যা চলা। আজ যেন সব পথের শেষে তোমার দ্বারে দাঁড়াই এসে– tomar-duar-kholar-dhwani ভুলিয়ে যেন নেয় না মোরে আপন কাজে ॥
আমি তোমারে করিব নিবেদন
আমি তোমারে করিব নিবেদন আমার হৃদয় প্রাণ মন! ক্ষমা করো আমায়, বরণযোগ্য নহি বরাঙ্গনে, ব্রহ্মচারী ব্রতধারী। হায় হায়, নারীরে করেছি ব্যর্থ দীর্ঘকাল জীবনে আমার। ধিক্ ধনুঃশর! ধিক্ বাহুবল! মুহূর্তের অশ্রুবন্যাবেগে ভাসায়ে দিল যে মোর পৌরুষসাধনা। অকৃতার্থ যৌবনের দীর্ঘশ্বাসে বসন্তেরে করিল ব্যাকুল॥ — রোদন-ভরা এ বসন্ত কখনো আসে নি বুঝি আগে। মোর বিরহবেদনা রাঙালো কিংশুকরক্তিমরাগে। Ami […]
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি– বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে জানি॥ তবু তো ফাল্গুনরাতে এ গানের বেদনাতে আঁখি তব ছলোছলো, এই বহু মানি॥ চাহি না রহিতে বসে ফুরাইলে বেলা, তখনি চলিয়া যাব শেষ হবে খেলা। আসিবে ফাল্গুন পুন, তখন আবার শুনো নব পথিকেরই গানে নূতনের বাণী॥ diyegenu ei bosonter ei gan khani

