সুন্দরি রাধে আওয়ে বনি।
ব্রজরমণীগণ মুকুটমণি॥
কুঞ্চিতকেশিনি, নিরুপমবেশিনি,
রস-আবেশিনি ভঙ্গিনি রে।
অধরসুরঙ্গিনি, অঙ্গতরঙ্গিনি,
সঙ্গিনি নব নব রঙ্গিনি রে॥
কুঞ্জরগামিনি, মোতিমদশনি,
দামিনি-চমক-নেহারিনি রে।
আভরণধারিন, নব-অভিসারিণি,
শ্যামর হৃদয়বিহারিণি রে।
নব অনুরাগিণি, অখিলসোহাগিনি,
পঞ্চম রাগিণি মোহিনি রে।
রাসবিলাসিনি, হাসবিকাশিনি,
গোবিন্দদাস-চিত-শোহিনি রে॥
Related Articles
আমার জীর্ণ পাতা যাবার বেলায় বারে বারে
আমার জীর্ণ পাতা যাবার বেলায় বারে বারে ডাক দিয়ে যায় নতুন পাতার দ্বারে দ্বারে। তাই তো আমার এই জীবনের বনচ্ছায়ে ফাগুন আসে ফিরে ফিরে দখিন বায়ে, নতুন সুরে গান উড়ে যায় আকাশ পারে, নতুন রঙে ফুল ফোটে তাই ভারে ভারে॥ ওগো আমার নিত্য নূতন দাঁড়াও হেসে চলব তোমার নিমন্ত্রণে নবীন বেশে। দিনের শেষে নিবল যখন […]
প্রাঙ্গণে মোর শিরীষশাখায় ফাগুন মাসে
প্রাঙ্গণে মোর শিরীষশাখায় ফাগুন মাসে কী উচ্ছ্বাসে ক্লান্তিবিহীন ফুল ফোটানোর খেলা। ক্ষান্তকূজন শান্তবিজন সন্ধ্যাবেলা প্রত্যহ সেই ফুল্ল শিরীষ প্রশ্ন শুধায় আমায় দেখি ‘এসেছে কি– এসেছে কি। ‘ আর বছরেই এমনি দিনেই ফাগুন মাসে কী উচ্ছ্বাসে নাচের মাতন লাগল শিরীষ-ডালে স্বর্গপুরের কোন্ নূপুরের তালে। প্রত্যহ সেই চঞ্চল প্রাণ শুধিয়েছিল, ‘শুনাও দেখি আসে নি কি– আসে নি […]
নিবিড় অমা-তিমির হতে বাহির হল জোয়ার-স্রোতে
নিবিড় অমা-তিমির হতে বাহির হল জোয়ার-স্রোতে শুক্লরাতে চাঁদের তরণী। ভরিল ভরা অরূপ ফুলে, সাজালো ডালা অমরাকূলে আলোর মালা চামেলি-বরনী॥ তিথির পরে তিথির ঘাটে আসিছে তরী দোলের নাটে, নীরবে হাসে স্বপনে ধরণী। উৎসবের পসরা নিয়ে পূর্ণিমার কূলেতে কি এ ভিড়িল শেষে তন্দ্রাহরণী॥ Nibiro Oma Timiro Hotey

