আকাশভরা সূর্য-তারা, বিশ্বভরা প্রাণ,
তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান,
বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥
আকাশভরা…।
অসীম কালের যে হিল্লোলে জোয়ার-ভাঁটার ভুবন দোলে
নাড়ীতে মোর রক্তধারায় লেগেছে তার টান,
বিস্ময়ে তাই জাগে আমার গান॥
আকাশভরা…
ঘাসে ঘাসে পা ফেলেছি বনের পথে যেতে,
ফুলের গন্ধে চমক লেগে উঠেছে মন মেতে,
ছড়িয়ে আছে আনন্দেরই দান,
বিস্ময়ে তাই জাগে ,জাগে আমার গান।
কান পেতেছি, চোখ মেলেছি, ধরার বুকে প্রাণ ঢেলেছি,
জানার মাঝে অজানারে করেছি সন্ধান,
বিস্ময়ে তাই জাগে,জাগে আমার গান॥
আকাশভরা…
রাগ: মিশ্র কেদারা
তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): আশ্বিন, ১৩৩১
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১৯২৪
Related Articles
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়, কী আছে শেষে! এত কামনা, এত সাধনা কোথায় মেশে। ঢেউ ওঠে পড়ে কাঁদার, সম্মুখে ঘন আঁধার, পার আছে গো পার আছে– পার আছে কোন্ দেশে। আজ ভাবি মনে মনে মরীচিকা-অন্বেষণে হায় বুঝি তৃষ্ণার শেষ নেই। মনে ভয় লাগে সেই– হাল-ভাঙা পাল-ছেঁড়া ব্যথা চলেছে নিরুদ্দেশে ॥ পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়
প্রাঙ্গণে মোর শিরীষশাখায় ফাগুন মাসে
প্রাঙ্গণে মোর শিরীষশাখায় ফাগুন মাসে কী উচ্ছ্বাসে ক্লান্তিবিহীন ফুল ফোটানোর খেলা। ক্ষান্তকূজন শান্তবিজন সন্ধ্যাবেলা প্রত্যহ সেই ফুল্ল শিরীষ প্রশ্ন শুধায় আমায় দেখি ‘এসেছে কি– এসেছে কি। ‘ আর বছরেই এমনি দিনেই ফাগুন মাসে কী উচ্ছ্বাসে নাচের মাতন লাগল শিরীষ-ডালে স্বর্গপুরের কোন্ নূপুরের তালে। প্রত্যহ সেই চঞ্চল প্রাণ শুধিয়েছিল, ‘শুনাও দেখি আসে নি কি– আসে নি […]
আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর
আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর ॥ মহিমা তব উদ্ভাসিত মহাগগনমাঝে, বিশ্বজগত মণিভূষণ বেষ্টিত চরণে ॥ গ্রহতারক চন্দ্রতপন ব্যাকুল দ্রুত বেগে করিছে পান, করিছে স্নান, অক্ষয় কিরণে ॥ ধরণী’পরে ঝরে নির্ঝর, মোহন মধু শোভা ফুলপল্লব-গীতবন্ধ-সুন্দর-বরনে ॥ বহে জীবন রজনীদিন চিরনূতনধারা, করুণা তব অবিশ্রাম জনমে মরণে ॥ স্নেহ প্রেম দয়া ভক্তি কোমল করে প্রাণ, কত সান্ত্বন করো বর্ষণ […]

