আমায় থাকতে দে-
আমায় থাকতে দে
না আপন-মনে।
আমায় থাকতে দে
আমায় থাকতে দে না
সেই চরণের পরশখানি মনে পড়ে
ক্ষণে ক্ষণে
আপন মনে
থাকতে দে
আমায় থাকতে দে না
কথার পাকে কাজের ঘোরে
ভুলিয়ে রাখে কে আর মোরে,
কথার পাকে কাজের ঘোরে
ভুলিয়ে রাখে কে আর মোরে,
তার স্মরণের বরণমালা গাঁথি বসে
গোপন কোণে
আপন মনে
থাকতে দে
আমায় থাকতে দে না
এই-যে ব্যথার রতনখানি
আমার বুকে দিল আনি
এই-যে ব্যথার রতনখানি
এই নিয়ে আজ দিনের শেষে
একা চলি তার উদ্দেশে।
এই নিয়ে আজ দিনের শেষে
একা চলি তার উদ্দেশে।
নয়নজলে সামনে দাঁড়াই,
তারে সাজাই তারি ধনে
নয়নজলে সামনে দাঁড়াই,
তারে সাজাই তারি ধনে
আপন মনে
থাকতে দে-
আমায় থাকতে দে-না ।
রাগ: কাফি
তাল: কাহারবা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): বৈশাখ, ১৩৩২
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১৯২৫
স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর
Related Articles
আমার রাত পোহালো শারদ প্রাতে
আমার রাত পোহালো শারদ প্রাতে। বাঁশি, তোমায় দিয়ে যাব কাহার হাতে। তোমার বুকে বাজল ধ্বনি বিদায়গাথা, আগমনী, কত যে– ফাল্গুনে শ্রাবণে, কত প্রভাতে রাতে॥ যে কথা রয় প্রাণের ভিতর অগোচরে গানে গানে নিয়েছিলে চুরি করে। সময় যে তার হল গত নিশিশেষের তারার মতো– শেষ করে দাও শিউলিফুলের মরণ-সাথে॥ Amar rath pohalo
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি ওই গো বাজে হৃদয়মাঝে ॥ তোমার ঘরে নিশি-ভোরে আগল যদি গেল সরে আমার ঘরে রইব তবে কিসের লাজে?। অনেক বলা বলেছি, সে মিথ্যা বলা। অনেক চলা চলেছি, সে মিথ্যা চলা। আজ যেন সব পথের শেষে তোমার দ্বারে দাঁড়াই এসে– tomar-duar-kholar-dhwani ভুলিয়ে যেন নেয় না মোরে আপন কাজে ॥
আমার কণ্ঠ হতে গান কে নিল ভুলায়ে
আমার কণ্ঠ হতে গান কে নিল ভুলায়ে, সে যে বাসা বাঁধে নীরব মনের কুলায়ে॥ মেঘের দিনে শ্রাবণ মাসে যূথীবনের দীর্ঘশ্বাসে আমার-প্রাণে সে দেয় পাখার ছায়া বুলায়ে॥ যখন শরৎ কাঁপে শিউলিফুলের হরষে নয়ন ভরে যে সেই গোপন গানের পরশে। গভীর রাতে কী সুর লাগায় আধো-ঘুমে আধো-জাগায়, আমার স্বপন-মাঝে দেয় যে কী দোল দুলায়ে॥ রাগ: খাম্বাজ-বাউল তাল: […]

