|
দূরে কোথায় দূরে দূরে আমার মন বেড়ায় গো ঘুরে ঘুরে। যে বাঁশিতে বাতাস কাঁদে সেই বাঁশিটির সুরে সুরে ॥ যে বাঁশিতে বাতাস কাঁদে সেই বাঁশিটির সুরে সুরে॥ যে পথ সকল দেশ পারায়ে উদাস হয়ে যায় হারায়ে সে পথ বেয়ে কাঙাল পরান যেতে চায় কোন্ অচিনপুরে ॥ |
রাগ: ভৈরবী
|
Related Articles
সুন্দরি রাধে আওয়ে বনি।
সুন্দরি রাধে আওয়ে বনি। ব্রজরমণীগণ মুকুটমণি॥ কুঞ্চিতকেশিনি, নিরুপমবেশিনি, রস-আবেশিনি ভঙ্গিনি রে। অধরসুরঙ্গিনি, অঙ্গতরঙ্গিনি, সঙ্গিনি নব নব রঙ্গিনি রে॥ কুঞ্জরগামিনি, মোতিমদশনি, দামিনি-চমক-নেহারিনি রে। আভরণধারিন, নব-অভিসারিণি, শ্যামর হৃদয়বিহারিণি রে। নব অনুরাগিণি, অখিলসোহাগিনি, পঞ্চম রাগিণি মোহিনি রে। রাসবিলাসিনি, হাসবিকাশিনি, গোবিন্দদাস-চিত-শোহিনি রে॥
নিবিড় অমা-তিমির হতে বাহির হল জোয়ার-স্রোতে
নিবিড় অমা-তিমির হতে বাহির হল জোয়ার-স্রোতে শুক্লরাতে চাঁদের তরণী। ভরিল ভরা অরূপ ফুলে, সাজালো ডালা অমরাকূলে আলোর মালা চামেলি-বরনী॥ তিথির পরে তিথির ঘাটে আসিছে তরী দোলের নাটে, নীরবে হাসে স্বপনে ধরণী। উৎসবের পসরা নিয়ে পূর্ণিমার কূলেতে কি এ ভিড়িল শেষে তন্দ্রাহরণী॥ Nibiro Oma Timiro Hotey
নীল- অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর
নীল- অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর হে গম্ভীর! বনলক্ষ্মীর কম্পিত কায়, চঞ্চল অন্তর– ঝঙ্কৃত তার ঝিল্লির মঞ্জীর হে গম্ভীর॥ বর্ষণগীত হল মুখরিত মেঘমন্দ্রিত ছন্দে, কদম্ববন গভীর মগন আনন্দঘন গন্ধে– নন্দিত তব উৎসবমন্দির হে গম্ভীর॥ দহনশয়নে তপ্ত ধরণী পড়েছিল পিপাসার্তা, পাঠালে তাহারে ইন্দ্রলোকের অমৃতবারির বার্তা। মাটির কঠিন বাধা হল ক্ষীণ, দিকে দিকে হল দীর্ণ– নব অঙ্কুর-জয়পতাকায় ধরাতল […]

