| ফিরবে না তা জানি, তা জানি–
আহা, তবু তোমার পথ চেয়ে জ্বলুক প্রদীপখানি॥ গাঁথবে না মালা জানি মনে, আহা, তবু ধরুক মুকুল আমার বকুলবনে প্রাণে ওই পরশের পিয়াস আনি॥ কোথায় তুমি পথভোলা, তবু থাক্-না আমার দুয়ার খোলা। রাত্রি আমার গীতহীনা, আহা, তবু বাঁধুক সুরে বাঁধুক তোমার বীণা– তারে ঘিরে ফিরুক কাঙাল বাণী॥ |
রাগ: ভৈরব-কীর্তন তাল: ষষ্ঠী রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): পৌষ, ১৩২৯ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1923 স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Articles
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে– কেন কথা কহিল না, চলিয়া গেল ধীরে॥ নিকুঞ্জে দখিনাবায় করিছে হায়-হায়, লতাপাতা দুলে দুলে ডাকিছে ফিরে ফিরে॥ দুজনের আঁখিবারি গোপনে গেল বয়ে, দুজনের প্রাণের কথা প্রাণেতে গেল রয়ে। আর তো হল না দেখা, জগতে দোঁহে একা– চিরদিন ছাড়াছাড়ি যমুনাতীরে॥
প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবনে
প্রেমের ফাঁদ পাতা ভুবনে, কে কোথা ধরা পড়ে, কে জানে– গরব সব হায় কখন টুটে যায়, সলিল বহে যায় নয়নে। এ সুখ-ধরণীতে কেবলই চাহ নিতে, জান না হবে দিতে আপনা– সুখের ছায়া ফেলি কখন যাবে চলি, বরিবে সাধ করি বেদনা। কখন বাজে বাঁশি গরব যায় ভাসি, পরান পড়ে আসি বাঁধনে॥ Premero Phand pata bhubone
মধুর মধুর ধ্বনি বাজে
মধুর মধুর ধ্বনি বাজে হৃদয়কমলবনমাঝে॥ নিভৃতবাসিনী বীণাপাণি অমৃতমুরতিমতী বাণী হিরণকিরণ ছবিখানি– পরানের কোথা সে বিরাজে॥ মধুঋতু জাগে দিবানিশি পিককুহরিত দিশি দিশি। মানসমধুপ পদতলে মুরছি পড়িছে পরিমলে। এসো দেবী, এসো এ আলোকে, একবার তোরে হেরি চোখে– গোপনে থেকো না মনোলোকে ছায়াময় মায়াময় সাজে॥ Madhuro Madhuro dwani baje

