একমুঠো জোনাকীর আলো নিয়ে
ফাঁকা মাঠে ম্যাজিক দেখাচ্ছে অন্ধকার।
একমুঠো জোনাকীর আলো পেয়ে
এক একটা যুবক হয়ে যাচ্ছে জলটুঙি পাহাড়
যুবতীরা সুবর্ণরেখা।
সাপুড়ের ঝাঁপি খুলতেই বেরিয়ে পড়ল একমুঠো জোনাকী
পুজো সংখ্যা খুলতেই বেরিয়ে পড়ল একমুঠো জোনাকী।
একমুঠো জোনাকীর আলো নিয়ে
ফাঁকা মাঠে ম্যাজিক দেখাচ্ছে অন্ধকার।
ময়দানের মঞ্চে একমুঠো জোনাকী উড়িয়ে
জয়ধ্বনি দিয়ে উঠল যেন কারা।
রবীন্দ্রসদনে তিরিশজন কবি তিরিশদিন ধরে আউড়ে গেল
একমুঠো জোনাকীর সঙ্গে তাদের ভাব-ভালোবাসা।
ইউনেসকোর গোল টেবিল ঘিরে বসে গেছে মহামান্যদের সভা
একমুঠো জোনাকীর আলোয়
আফ্রিকা থেকে আসমুদ্র হিমাচল সমস্ত হোগলা বন আর ফাটা দেয়ালে
সাজিয়ে দেবে কোনারক কিংবা এথেন্সের ভাস্কর্য।
সাত শতাব্দীর অন্ধকার এইভাবে
ফাঁকা মাঠে ম্যাজি দেখিয়ে চলেছে একমুঠো জোনাকীর আলোয়।
Related Articles
কথোপকথন-২৬
আমার চিঠিটার জবাব কই ? যদি না এনে থাকো তাহলে আজ তুলবো এমন ঝড় বসন ঊড়ে যাবে চন্ডীগড় খোঁপার খিল খুলে বন্দী চুল হানবে চোখে মুখে আক্রমণ। কেউটে সাপ হবো।সাত পাকে নগ্ন দৃশ্যের চূড়া ও তল জড়াবো,এমনই সে আলিঙ্গন ভাঙবে হাড়-গোড়। আমার কি ? -এমন ছটফটে ধৈর্যহীন মানুষ কোন্দিন দেখিনি আর। শুনেছি আজকাল বোদলেয়ার রাঁবো […]
প্রথম চুম্বন
স্তব্ধ হল দশ দিক নত করি আঁখি— বন্ধ করি দিল গান যত ছিল পাখি। শান্ত হয়ে গেল বায়ু, জলকলস্বর মুহূর্তে থামিয়া গেল, বনের মর্মর বনের মর্মের মাঝে মিলাইল ধীরে। নিস্তরঙ্গ তটিনীর জনশূন্য তীরে নিঃশব্দে নামিল আসি সায়াহ্নচ্ছায়ায় নিস্তব্ধ গগনপ্রান্ত নির্বাক্ ধরায়। সেইক্ষণে বাতায়নে নীরব নির্জন আমাদের দুজনের প্রথম চুম্বন। দিক্-দিগন্তরে বাজি উঠিল তখনি দেবালয়ে আরতির […]
আমার কুঁড়েঘরে
আমার কুঁড়েঘরে নেমেছে শীতকাল তুষার জ’মে আছে ঘরের মেঝে জুড়ে বরফ প’ড়ে আছে গভীর ঘন হয়ে পাশের নদী ভ’রে বরফ ঠেলে আর তুষার ভেঙে আর দু-ঠোঁটে রোদ নিয়ে আমার কুঁড়েঘরে এ-ঘন শীতে কেউ আসুক আমার গ্রহ জুড়ে বিশাল মরুভূমি সবুজ পাতা নেই সোনালি লতা নেই শিশির কণা নেই ঘাসের শিখা নেই জলের রেখা নেই আমার […]

