একমুঠো জোনাকীর আলো নিয়ে
ফাঁকা মাঠে ম্যাজিক দেখাচ্ছে অন্ধকার।
একমুঠো জোনাকীর আলো পেয়ে
এক একটা যুবক হয়ে যাচ্ছে জলটুঙি পাহাড়
যুবতীরা সুবর্ণরেখা।
সাপুড়ের ঝাঁপি খুলতেই বেরিয়ে পড়ল একমুঠো জোনাকী
পুজো সংখ্যা খুলতেই বেরিয়ে পড়ল একমুঠো জোনাকী।
একমুঠো জোনাকীর আলো নিয়ে
ফাঁকা মাঠে ম্যাজিক দেখাচ্ছে অন্ধকার।
ময়দানের মঞ্চে একমুঠো জোনাকী উড়িয়ে
জয়ধ্বনি দিয়ে উঠল যেন কারা।
রবীন্দ্রসদনে তিরিশজন কবি তিরিশদিন ধরে আউড়ে গেল
একমুঠো জোনাকীর সঙ্গে তাদের ভাব-ভালোবাসা।
ইউনেসকোর গোল টেবিল ঘিরে বসে গেছে মহামান্যদের সভা
একমুঠো জোনাকীর আলোয়
আফ্রিকা থেকে আসমুদ্র হিমাচল সমস্ত হোগলা বন আর ফাটা দেয়ালে
সাজিয়ে দেবে কোনারক কিংবা এথেন্সের ভাস্কর্য।
সাত শতাব্দীর অন্ধকার এইভাবে
ফাঁকা মাঠে ম্যাজি দেখিয়ে চলেছে একমুঠো জোনাকীর আলোয়।
Related Articles
তোষণ
মানবতার শিশু আজ কেঁদে কেটে মরে নিভৃতে কাঁদে বিচারের বাণী আফ্রিকা থেকে এশিয়া পর্যন্ত শকুনী দৃষ্টি দেয় বিশ্বকর্মারা মুখে তাদের ভালোবাসার ফুলঝুরি অন্তরে বিষ। তাদের কথা মত তুর্কি নাচন নাচে আর কুম্ভকর্ণের মত ঘুমিয়ে থাকে আমাদের কর্তারা সামনে হাটু গেড়ে বসে থাকে নিষ্কর্মা পীর-পুরোহিত। (কবিতাটি ‘শব্দনীড় এবং প্রথমআলো ব্লগে প্রকাশিত)
বিষবৃক্ষ ভালোবাসা
তোমার না-থাকা ভালোবেসে কিছু ভুলকে বেধেছি বক্ষে, কিছু বলো নাই-ভুল বৃক্ষকে অবাধে দিয়েছো বাড়তে। তুমি কিই জানতে ওই তরু নয় স্বাস্থ্যোপযোগী,ওতো সেই বিষবৃক্ষ। তুমি কি জানতে ওই ভুল বোধ কতখানি ক্ষতি,নষ্ট ! তাহলে আমার ভুল নির্মাণ-করোনি তা কেন ধ্বংস ? এটুকু জীবনে এই অপচয়,ভুল পথে এই যাত্রা- মিছে কষ্টকে ভালোবেসে এই আত্মহনন যজ্ঞে কেন জল […]
নেংটো সুন্দরির বন্দনায়
অনুবাদ:চয়ন খায়রুল হাবিব খাস কলিজায় পাক সাফ চোখে আমি তোমার সৌন্দর্জ উদজাপন করি অঝরে ঝরা রক্তপাত ধরে রাখি যাতে তা লাগাম পরাতে পারে আমার কবিতায় শোয়া তোমার শরিরের বাকে জংগল ঘেরা জমিতে অথবা সমুদ্রে সার্ফিংঃ সুগন্ধি ফেনায় সাগরের বাজনায়। ও নেংটো সুন্দরিঃ সমান তালে তালে সুন্দর তোমার পায়ের পাতা প্রাচিন বাতাস আর শব্দের কারুকাজ আঙ্গুলের […]

