জলেও কি ট্রাম-বাস চলে?
জলেও কি আছে ছাপাখানা?
২৫শে বৈশাখ এলে জলের ভিতরে মাছ, নক্ষত্রের ঝাঁক
তারাও কি কবিতার খাতা খুলে বসে?
যোগো,
জলের ভিতরে গিয়ে কার কার কবিতা কুড়োলি?
নিজের খাটের চেয়ে শ্যাওলার বিছানা কি অধিক নরম?
তুই কি কলম ফেলে কেবল জলের ঢেউ দিয়ে
কবিতার ভূল-ভাল, পৃথিবীর ভূল-ভাল প্রুফ কেটে-কুটে
সারারাত জেগেছিলি জলে?
যোগো,
জলের ভিতরে দিয়ে কার কার কবিতা কুড়োলি?
Related Articles
সেলাই করা ঘুমগুলো আমার
সারাটা জীবন এটা-ওটা সেলাই করে অনুযোগহীন কাটিয়ে দিলাম, চলাপথে যা কিছু পেয়েছি তুচ্ছ, ক্ষুদ্র সে সঞ্চয় সেলাই করে জীবিকা নির্বাহ করেছি; একটাই জীবন আমার গরিবের কাঁথার মতোই দামি, ছেঁড়াখোঁড়া, শতচ্ছিন্ন কাঁথার মতো এই যে জীবন আমার সেলাই করে মোটামুটি ঠিকঠাক রাখি, এদ্দিন এ নিয়ে কোনো সমস্যাই হয়নি আমার, হয়তো-বা কারু চোখে বিসদৃশও মনে হয়নি… বাকি […]
দয়ার্দ্র আঁচল
তুমি তো জানো না তোমার আঁচলখানি কতো বেশি নিরাপদ তাঁবু শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় এখানে বাঁচাতে পারি মাথা লজ্জা ভয়ে এখানে লুকাতে পারি মুখ, এই নিবিড় আশ্রয় আর কোনখানে পাবো। সবখানে যখন আমার নামে রটে কুৎসার কালি সবাই নিন্দায় ওঠে মেতে, ছিছি করে, টিটকারি দেয় যকন আমাকে এই অশ্লীল বিদ্রূপ আর শীতল উপেক্ষা করে মর্মাহত, তখনো দাঁড়াই এসে […]
অবনী বাড়ি আছো
দুয়ার এঁটে ঘুমিয়ে আছে পাড়া কেবল শুনি রাতের কড়ানাড়া ‘অবনী বাড়ি আছো?’ বৃষ্টি পড়ে এখানে বারোমাস এখানে মেঘ গাভীর মতো চরে পরাঙ্মুখ সবুজ নালিঘাস দুয়ার চেপে ধরে– ‘অবনী বাড়ি আছো?’ আধেকলীন হৃদয়ে দূরগামী ব্যথার মাঝে ঘুমিয় পড়ি আমি সহসা শুনি রাতের কড়ানাড়া ‘অবনী বাড়ি আছ

